Wednesday, September 16, 2015

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সর্বোচ্চ বিচারিক সাজা হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার বিধান রয়েছে। তবে সবদেশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি একরকম নয়। সারাবিশ্বে এখন প্রধানত নয়টি উপায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এরমধ্যে রয়েছে দড়িতে ঝুলিয়ে ফাঁসি, লেথাল ইনজেকশন, ফায়ারিং স্কোয়াড, ফায়ারিং, শিরশ্ছেদ, বৈদ্যুতিক চেয়ার, গ্যাস চেম্বার,পাথর ছোড়া, উঁচু জায়গা থেকে ফেলে দেয়া।
ইনজেকশন:
অ্যানেস্থেশিয়ার জন্য সোডিয়াম পেন্টোনাল, সম্পূর্ণ অক্ষম করার জন্য প্যানকিউরোনিয়াম ব্রোমাইড আর হৃদযন্ত্র থামিয়ে দেয়ার জন্য পটাশিয়াম ক্লোরাইড নামের তিনটি রাসায়নিক উপাদান ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে ঢুকিয়ে অনেক দেশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়৷ যুক্তরাষ্ট্র,

Wednesday, August 5, 2015

চলতি মাসেই উৎপাদন শুরু হচ্ছে নাগরিকদের উন্নত মানের পরিচয়পত্র স্মার্টকার্ড।
ইসি জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে বিতরণ শুরু হয়ে আগামী বছরের জুনের মধ্যে সাড়ে ৯ কোটির বেশি নাগরিকের হাতে তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে কমিশন সভায় স্মার্ট কার্ড তৈরি ও বিতরণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
নির্বাচন কমিশনে বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ বলেন, “শিগগির নাগরিকদের স্মার্টকার্ড দেব আমরা। আরেকটি কমিশন সভায় বিতরণসূচি নির্ধারণ করা হবে।”
কাজের অগ্রগতির বিষয়ে তিনি জানান, স্মার্টকার্ড পার্সোনালাইজেশনের ১০টি মেশিন এসে গেছে। আগারগাঁওয়ে প্রকল্প কার্যালয়ে একটি ও বাকিগুলো অস্থায়ীভাবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভাণ্ডারে স্থাপন করা হবে।
তিনি বলেন, “আমরা অত্যন্ত আশাবাদী-মেশিন স্থাপন শেষে এ মাসের শেষদিকে স্মার্টকার্ড উৎপাদনে যেতে পারব। উৎপাদনে এলে বিতরণের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেব। তবে উৎপাদনের পরপরই বিতরণে যাব আমরা।”
স্মার্টকার্ডের বিষয়ে সার্বিক দিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে উপস্থাপনের পরদিনই ইসির কাছে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ তাদের কার্যক্রম তুলে ধরে।

Wednesday, July 15, 2015

 ভালবাসি শুধুই তোমাকে

৭ ফেব্রুয়ারি= রোজ ডে

৮ ফেব্রুয়ারি= প্রপোস ডে

৯ ফেব্রুয়ারি= চকলেট ডে

১০ ফেব্রুয়ারি= টেডি ডে

১১ ফেব্রুয়ারি= প্রমিস ডে

১২ ফেব্রুয়ারি=hug Day.

১৩ ফেব্রুয়ারি= কিস ডে

১৪ ফেব্রুয়ারি= হ্যাপি ভেলেন্টাইনস ডে.

----------------------------------------------------------------------

 

দি পৃথিবীর সব গোলাপ প্রতিদিন একটা করে

তোমাকে দিয়ে বলি আমি তোমাকে ভালবাসি ,

সব গোলাপ শেষ হয়ে যাবে ..

Saturday, July 11, 2015

ওজন কমানোর জন্য আমরা কত ভাবেই না চেষ্টা করি। দেখা যায় পরিমিত সুষম খাবার গ্রহণ ও নিয়মিত ব্যায়াম করার পরও অনেকেরই ওজন সহজে কমতে চায় না। এই ডায়েট প্ল্যানটিকে গত কয়েক বছরের মাঝে সবচেয়ে কার্যকরী ডায়েট প্ল্যান হিসাবে ধরা হয়। অনেকের দ্বারা স্বীকৃত এবং অনেকেই এর মাধ্যমে ভালো ফল পেয়েছেন। যারাই এটা অনুসরণ করেছেন তারাই ওজন কমানোর কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করেছেন। তাই ব্যায়াম ছাড়া শুধু খাবার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই সবাই যেন প্রত্যাশিত ফলাফল পেতে পারেন এরকম একটি ডায়েট প্ল্যান জানাচ্ছি।
এই ডায়েট প্ল্যানটি ১৫ দিনের জন্য। অর্থাৎ সপ্তাহে ৫ দিন করে ৩ সপ্তাহ অনুসরণ করতে হবে। এই ১৫ দিনে সকালে একই নাস্তা খেতে হবে প্রতিদিন। সেটা হলো-
সকালের নাস্তা
ফল-১ টি (কমলা, নাসপাতি, পিচ, বাঙ্গি, তরমুজ বা যেকোনো ফল। তবে কলা আর আঙ্গুর ছাড়া)
টোষ্ট বিস্কিট/ব্রেড টোষ্ট- ১টি
চা/কফি- ১ কাপ (চিনি ছাড়া)
১ম দিন যা খাবেন
দুপুরে-
কমলা-১টি,
ডিম সেদ্ধ-১টি,
টক দই- ১কাপ
রাতে-
টমেটো- ২টি (কাঁচা বা সেদ্ধ)
ডিম সেদ্ধ- ২টি
টোষ্ট বিস্কিট/ব্রেড টোষ্ট- ২টি
শশা- ১টি
২য় দিন যা খাবেন
দুপুরে-
কমলা-১টি,
ডিম সেদ্ধ-১টি,
টক দই- ১কাপ
রাতে-
গরুর মাংস- ১৩৬ গ্রাম (কম মশলায় রান্না করা)
টমেটো- ১টি
কমলা- ১টি

Wednesday, July 8, 2015

 আম্মু দেখ ওই uncle টা তার ফোন
রেখে চলে যাচ্ছে।
-কই দেখি?
বলে ফোনটা হাতে নিলেন মিসেস ইশিতা।
ভাবছে লোক টাকে ডাক দিবে কিন্তু ডাকল না।
“যাক গে, উনার ফোন উনিই নিবেন। ”
কিছুক্ষন পর ভদ্র লোকের ফোনে একটা কল আসল।ফোন টা রিসিভ করলেন মিসেস ইশিতা।
– হ্যালো স্লামালাইকুম,
-হ্যালো ফোন টা আমার,
আমি শপিং মলে ফেলে রেখে এসেছি।
আপনি যেই হউন না আমার ফোন চাই না শুধু কিছু
ডাটা আমার চাই। প্লিজ হেল্প মি।
অপরপাশকে কথাই বলার সুযোগ দিলেন না সায়েম
সাহেব।
-ওকে ওকে আপনাকে আপনার ফোন দিব, আমি চোর
নই। আমি এখন ও ওই শপিং মলে ই আছি।
আপনি আসেন পাবেন।
-ওকে,জাস্ট অয়েট আ ফিউ মিনিটস।
কথাটা বলেই ফোন রাখলেন সায়েম সাহেব।
এদিকে ভদ্র মহিলা কথা শেষে ফোনটা লক
করতে গিয়েই চমকে উঠলেন মিসেস ইশিতা। কারন
স্ক্রীনের উপর যে ছবিটা ভাসছে সেটা ইশিতার
নিজেরই ছবি এবং সেটা আজ থেকে বার বছর
আগের ছবি। সাথে সাথেই ইশিতার ভেতরটা কেমন
যেন চমকে উঠলো। ফোন টা সায়েমের নয় তো?
সায়েম ইশিতার এক সময়ের খুব কাছের মানুষ
ছিল। কলেজ লাইফের পুরোটাই এক
সাথে কাটিয়েছিল দুজন। দুজনের শ্বাস প্রশ্বাস
গুলো ছিল একই সময়ের। রাত দিন ফোনে কথা বলত
দুজন। সৃষ্টি কর্তার কোন একশাসনের
কারণে তারা আজ যোজন যোজন দুরে।
কথা গুলো ভাবতে ভাবতেই ওই
ফোনে আবারো রিং হল।।
-আম্মু ওই যে আংকেল টা।
এই বলে দেখিয়ে দিল ইশিতার মেয়ে।
-এক্সকিউজ মি, আপনার ফোন
লোকটার মুখ দেখে ইশিতার মাথায় আকাশ
ভেংগে পড়ার অবস্থা। এতো সায়েম। একটু ও চেঞ্জ
হয় নি।
এ আমি স্বপ্ন দেখছি নাতো? সায়েম সাহেব
আনমনে ভাবলেন। কিন্তু মুখে কিছুই বললেন না।
ফর্মালিটি দেখিয়ে ফোনটা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন
-এক্সকিউজ মি,
-আমাকে বলছেন?
-জ্বী
-আপনার নাম টা বলবেন?
-কেন?
-এমনি
-সায়েম
-তুমি আমাকে চিনতে পারোনি?
-হুম পেরেছি বাট কি লাভ চিনে?
-সেটাই,
-আর কিছু বলার আছে??
-তোমার ফোনে ওইটা কার ছবি?
-জানিনা
-তাহলে কেন দিয়েছ?
-ভাল্লাগে তাই
-কি করছ এখন?
-জব করি
-বিয়ে করেছ?
-না
-কেন?
-আজ থেকে বার বছর
আগে কাউকে কথা দিয়েছিলাম।
-ও ও
-কিন্তু আমার তো বিয়ে হয়ে গেছে
-তোমার মেয়েটা অনেক সুন্দর।কি নাম রেখেছ?
-ইরা।
চমকে গেলেন সায়েম সাহেব। কারন নামটা তারই
দেয়া।। চোখের পানি আর আটকাতে পারলেন না।
রুদ্র মুখর দিনে তার চোখের
পানিটা ভাল্লাগছে না তবুও মন মানল না। ও
দিকে ইশিতাও কেদে দিল।। নিশ্চুপ দুজনেই।
দুজনেরই ইচ্ছে হচ্ছে বার বছর আগে ফিরে যেতে।
-মা চল, বাবা এসে গেছে।
ইরার কথা শুনেই দুজনের নিস্তব্ধতা কাটল।।
চলে যাচ্ছে ইশিতা। আবারো অনেক দিন পর
সায়েম সাহেব বুকের ভেতরর যন্ত্রণা হচ্ছে।
একটু একটু করে ইশিতা অদৃশ্য হয়ে গেল আর একটু একটু
করে সায়েম সাহেবের বুকের
যন্ত্রণা বাড়তে লাগল।
***
সকাল বেলা স্বামী অফিসে যাওয়ার পর পেপার
নিয়ে বেলকনীতে বসলেন ইশিতা। পেপারের
ভেতরের পাতায় লিখা ” অতিরিক্ত ধুমপান ও
মদ্যপানের ফলে যুবকের মৃত্যু ” ইনসেটে ছবি দেখল
সায়েম সাহেব। ইশিতা আর সইতে পারল না।
ফ্লাশ ব্যাক :
ইশিতাকে খুব ভালবাসতো সায়েম। এক দিন
না দেখে থাকতে পারতো না। ব্রেক আপএর পর
থেকেই সায়েম অন্ধকার জগতে পা বাড়ালো।
সে দিন শপিং মলে ইশিতা কে দেখার পর
সইতে না পেরে অসংখ্য
সিগারেট এবং ড্রিংক
করে হার্ট এর ব্যাথাটা বাড়িয়ে দিয়েছিল
এবং পরিনামে মৃত্যু।।
ইশিতার টিভি তে গান চলছে :
ভেংগে গেল আজ স্বপ্ন আমার
চারিদিকে নিরাশার অন্ধকার
কি নিয়ে বাঁচি আমি
ভালবাসা করে হাহাকার
অসমাপ্ত ভালবাসা, সমাপ্ত সায়েম।।



Tuesday, July 7, 2015

 আমি যখন তোমার নাম
মাটিতে লিখলাম ,,
বৃষ্টিতে ভিজে গেলো .....
আকাশে লিখলাম ,, আকাশ
মেঘে ঢেকে গেলো ..... কিন্তু যখনই
হৃদয়ে লিখলাম ,, ঠিক তখনই
তুমি আমায় ভুলে গেলে....


 কি অপরাধ ছিলো আমার?
খুব বেশি ভালোবেসে ছিলাম,এটাই
কি ছিলো অপরাধ?
কেনো আমার জীবন
টা নিয়ে খেলা করলে ও রকম?
পৃথিবীতে নাকি দুইটা জিনিস
পাওয়া খুব কষ্ট সাধ্য।
১:) মনের মানুষ।
২:) মানুষের মন।
সত্যি আজ দু চোখের জল
দিয়ে সেটা বিশ্বাস করতে হচ্ছে।

তুমি চলে যেতে পারবে
কিন্তু তোমার
সাথে জড়িয়ে থাকা,
স্মৃতিগুলো নিয়ে যেতে পারবে না...
হয়তো তুমি আমাকে ভুলে যেতে পারবে,
কিন্তু আমার
ভালোবাসাকে ভুলতে পারবে না...
প্রতিটি মুহূর্ত
তোমাকে স্মরন
করিয়ে দিবে,
নীরবে চোখের জল
ফেলতে হবে, আমার
এই নিঃস্বার্থ
ভালোবাসার জন্য.....আর কত ভালবাসলে
ভালবাসবে তুমি আমায়
তোমায় মনে পড়ে
 প্রতিক্ষণে পড়ে মনে
তোমার কথা,
তোমার জন্য
আমার এতো ব্যাকুলতা।
হারিয়ে যাই
ভাবনার সাগরে
তোমায় ভেবে।
মনের ঘরে
স্বপ্ন সাজাই
তোমায় নিয়ে।
কেনো থাকো
আমায় ছেঁড়ে
দূরে দূরে,
আমিতো পারিনা
এক মুহূর্ত
থাকতে তোমায় ভুলে।
তুমি হীনা
নিঃশ্ব লাগে নিজেকে।
শুন্যতা
আসে নেমে
এই হৃদয় জুড়ে।

একদিন হয়তো চলে যাবো
একদিন হয়তো চলে যাবো পূথিবীর শেষ সিমানায়, সে দিন ও দেখবে তুমি আছি তোমার কিনারাই, স্রিতি হয়তো বলবে কথা, বলব নাক আমি, পারলে দিয় মনে একটু জায়গা যেথাই থাকব আমি। বন্ধু বল আমায় মনে রাখবে কি তুমি?বন্ধু তোকে কাছে না পাওয়ার........

Friday, July 3, 2015



 প্রেমিকার জন্য প্রেমের এস এম এস

হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে অনেক দূরে যেখানে রয়েছে তোমার ভালোবাসার সূখের নীড়। আর সেই নীড়ে কাটিয়ে দিতে চাই শত জনম। আমি কল্পনার সাগরে ভেসে চলে জাব, জাব তোমার হৃদয় সৈকতে, তুমি দিবেনা ধরা?

তুমি কি জান পাখি কেন ডাকে? “তোমার ঘুম ভাংবে বলে। তুমি কি জান ফুল কেন ফুটে? “তুমি দেখবে বলে। তুমি কি জান আকাশ কেন কাদে? “তোমার মন খারাপ বলে। তুমি কি জান তোমাকে সবাই পছন্দ করে কেন? “তুমি খুব ভাল বলে। তুমি কি জান তুমি এত ভালো কেন? “তুমি আমার বন্দুবলে।

শুভ ক্ষন, শুভ দিন। মনে রেখ চির দিন। কষ্ট গুলো দূরে রেখ, স্বপ্ন গুলো পুরন করো, নতুন ভালো স্বপ্ন দেখো, আমার কথা মনে রেখ।আকাশ বলে তুমি নীল। বাতাস বলে তুমি বিল। নদী বলে তুমি সিমা হিন। চাঁদ বলে তুমি সুন্দর। ঘাস বলে তুমি সবুজ। ফুল বলে তুমি অবুজ। কিন্তু আমি বলি, “তুমি কেমন আছ?”

বন্ধু মানে সুখের সাথী। বন্ধু মনে রাগ। বন্ধু মানে দুঃখ সূখের সমান সমান ভাগ। বন্ধু মানে হালকা হেসে চোখের কোনের জল। বন্ধু মানে মনে পরলে একটা ছোট কল।কিছু কথা কিছু ‍পরিচয়, ক্ষনিকের হয়। কিছু ব্যাথা কিছু সৃষ্টি, ভূলার নয়। কিছু মানুষ কিছু বন্ধু চিরদিনের হয়। আই মিছ ইউ

জীবনের রং বড় বিচিত্র, কখনো লাল কখনো নীল। কখনো মুক্ত পাখির মতো। কখনো আবার চুপসে যাওয়া ফুলের মতো। হারিয়ে যায় কত চেনা মুখ। থেকে যায় সুধু অনাবিল সূখ।নীল নীলিমায় দূরে কোথায় মন যে হারায় বেকুলতায় মনে পরে যায়। একটা কথা ই মন জানতে চায় অবেলায় অবসরে মনে কি পরে আমায় আই মিছ ইউ

ভোরের মিষ্টি রোদের আলোয় মিছ কল দিয়, কান্ত দুপুরে মনে পরলে এসএমএস কর, গভীর নিঝুম রাতে যদি ভয় লাগে তবে ফোন কর ভূতের গল্প শুনাব কেমন।

এক টু কানে শুনো। এক টু আমায় জানো? এক টু সময় দিয়। এক টু খবর নিয়ো? এক টু যখন একা। এক টু দিয়ো দেখা? এক টু নিয়ো খোঁজ। এক টু ভেবো রোজ? এক টু আমায় ডেকো। ভীষন ভালো থেকো !

ভালোবাসার মাঝে সুখ আছে। ভালো থাকার মাঝে কষ্ট আছে। দূরে রাখার মাঝে টান আছে। মনে রাখার মাঝে প্রান আছে। তাই মনে রেখ আমায় চিরদিন।

দূর নীলিমায় নয়, আছি তোমার পাশে, খুজে দেখ আমায়, পাবে হৃদয়ের মাঝে, শুনবনা কোন গল্প, গাইবো শুধু গান যে-গান-এ আছে শুধু ভালোবাসার টান......শুভ ভালোবাসা দিবস

সকাল তো অনেক হয় বর্ষার মতো নয়, সময় তো অনেক হয় গোধূলীর মতো নয়, রাত তো অনেক হয় পূর্নীমার মতো নয়, বন্ধু তো অনেক হয় তোমার মতো নয়।

কিছু কিছু কবিতা লিখার আগে ভাষা হারিয়ে যায়। কিছু কিছু কথা বলার আগে সময় ফুরিয়ে যায়। কিছু কিছু স্বপ্ন দেখার আগে ঘুম ভেঙ্গে যায়। কিছু কিছু মানুষ আপন হওয়ার আগে দূরে চলে যায়। কেন এমন হয়?

রাতে জোসনা, দিনে আলো, কেন তোমায় লাগে ভালো? গোলাপ লাল, কোকিল কালো, সবার চাইতে তুমি ভালো। আকাশ নীল, মেঘ সাদা, সবার চাইতে তুমি আলাদা।

 সূখের জন্য স্বপ্ন”, দুখের জন্য হাসি”, দিনের জন্য আলো”, চাঁদের জন্য নিশি”, মনের জন্যআশা”, তোমার জন্য রহিল আমার ভালোবাসা

শুভ সকাল।টিপ টিপ বৃষ্টি পরে। একা বসে আছি ঘরে। তুমি আছো কেমন করে। জানাও আমায় এস এম এস করে। তোমার কথা মনে করে। মেসেজ দিলাম সেন্ট করে।



Wednesday, July 1, 2015

ভালবাসা সম্পর্কিত ৭টি কথাঃ
১. কারো চোখ, বা ঠোঁট কিংবা সুগঠিত শরীর এর কারনে ভালো লাগে
-তবে টা ভালবাসা নয়, বাছাই করা...
২. কারো বুদ্ধিমত্তা বা জীবনের দূরদর্শিতা থেকে কাউকে ভালো লাগে
-তবে তা ভালবাসা নয়, প্রশংসা মাত্র...
৩. কারো অর্থ-সম্পত্তি দেখে কাউকে ভালো লাগে
-তবে তা ভালবাসা নয়, লোভ...
৪. কেউ ছেড়ে যেতে চাচ্ছে বলে অপরজন সবসময় কাঁদে
-তবে তা ভালবাসা নয়, করুণা...
৫. মনঃবাসনা পূরণের জন্য কাউকে দরকার হলে
-তবে সেটা ভালবাসা না, লালসা...
৬. যদি এটা ঘুমাতে, খেতে কিংবা পড়তে ভুলিয়ে দেয়
-তবে তা ভালবাসা নয় মোহ...
৭. আপনি জানেন না কেন তবু ওই মানুষটাকেভালো লাগে
-তবে সেটাই ভালবাসা...
-ভালবাসতে কেবল একটি কারন লাগে আর তা হল অজানা.
                                                                                                         By Omar Faruk

Monday, June 29, 2015

রাত প্রায় তিনটা ।
হঠাৎ করেই কবির ফোনের স্ক্রিনটা জ্বলে উঠলো । নীলার ছবিটা স্ক্রিন জুড়ে ভেসে উঠেছে ।
calling… Neel Pori
ফোনটা কেটে দিলো কবি । আবার নীলা ফোন দিলো । এবার ফোনটা রিসিভ করলো কবি ।
:হ্যালো…
:কি হলো ? ফোন কেটে দিলে কেন ?
: রাত কয়টা বাজে, দেখেছো ? আমি ঘুমাচ্ছিলাম ।
: একদম মিথ্যে বলবে না আমাকে, আমি জানি তুমি রাতে ঘুমাতে পারো না ।
: কি বলবে, বলো….
: কি করো ?
: জানি না ।
: জানি না মানে কি, হ্যা…?
: জানি না মানে, i don’t know.
: ও আচ্ছা, তাই ?
: হ্যা, তাই ।
: i love you…
: আচ্ছা, আমার ঘুম পাচ্ছে, এখন রাখি, bye.
কথা শেষ করেই ফোনটা কেটে দিলো কবি । নীলার উত্তরের অপেক্ষা করলো না ।
ফোন কাটতে না কাটতেই আবার নীলার ফোন । ফোন রিসিভ করেই কবি বললো,
: আবার কী ? bye বললাম না ?
: আমি i love u বলেছি, আমার রিপ্লাই কই ?
: জানি না ।
: আবার জানি না !
: হ্যা
: আচ্ছা, তুমি এমন করছো কেন ? এখন আর আমাকে ফোন দাও না । মেসেজের রিপ্লাই দাও না । কি হয়েছে তোমার ?
: কই ? আমার কিছু হয়নি তো ! আমি সম্পূর্ণ সূস্থ! এক দমে ক, খ সব বলে দিতে পারবো ।
: প্লিজ কবি, ফাজলামো করো না । তুমি এখন আর আমার সাথে আগের মত কথা বলো না । আমি ফোন করলেই ফোন রেখে দেয়ার জন্যে পাগল হয়ে ওঠো ! বাই বলেই ফোন রেখে দাও, আমার রিপ্লাইয়ের অপেক্ষা পর্যন্ত করো না !!! আমি কি কোন ভুল করেছি ? প্লিজ, আমাকে বলো, আমি নিজেকে শুধরে নিবো । আমার সাথে এমন করো না প্লিজ, আমার যে খুব কষ্ট হয় ।
: এত রাত জাগা ভালো না । তুমি ঘুমাও ।
: আমি তোমাকে i love u বলেছি, আমার রিপ্লাই দাও আগে ।
: কালকে দিবো, বাই…..
কবি আবার ফোন রেখে দিলো ।

কাশটা খানিক মেঘলা ছিলো। ঝিনুক রিকশায় উঠে চলে যাচ্ছিলো। ফোনের দিকে তাকালাম। নিয়ম হয়ে গেছে যে যাওয়ার সময় ফোন দেবেই সে। সামনে বসে যত ঘন্টাই কথা হোক না কেন
রিকশা উঠে ওর মনে পড়েই যাবে কি কি বাকি রয়ে গেছে। তাই ফোন দিয়ে সেগুলো বলে যাবে অনর্গল।
ফোন বাজছে কিন্তু ধরলাম না। চলে যেতে থাকা রিকশার দিকে তাকিয়ে আছি। হুডের পেছন দিকে সামান্য ফাঁক থাকে রিকশায়। ওদিক দিয়েই পেছন ফিরে তাকালো। চোখে প্রশ্ন কেন ধরছি না ফোন। উত্তর দিলাম আর অপেক্ষা নয়। ধরলাম কল।
কি ব্যাপার কল ধরো না কেন?
তোমাকে আর একটু দেখতে ইচ্ছে হলো তাই।
মানে? আবার কিভাবে দেখবা?
এই যে পেছন ফিরে তাকালে?
তা তো তুমি ফোন ধরছো না দেখে তাই।
কালের আলোতে চোখের স্নান করানোর ইচ্ছা ‘মায়া’র অনেক দিনের । কিন্তু কোন দিনই সে সকালে উঠতে পারে না । আজ হঠাৎ ফজরের আজানের শব্দ শুনে হুড়মুড় করে বেড থেকে উঠে বসলো । মনে হয় খারাপ কোন স্বপ্ন দেখেছে । অন্ধকারের মাঝে বেডের পাসে ছোট বক্সের উপর রাখা টেবিল ল্যাম্পের সুইজ হাতড়াতে লাগলো । বাইরে হালকা-হালকা আলোর আভা বেরনো শুরু হয়েছে । ‘মায়া’ কোনরকমে লাইট দিয়ে, টেবিলের উপর শেড দিয়ে ঢাকা পানির গ্লাসটা এক ঢোকে শেষ করে দিল । পূর্ব দিকের জানালার পর্দার ফাঁক দিয়ে হালকা আলোর ছটা এসে বিছানার উপর পড়ছে । তার ভয় ভয় ভাবটা অনেক অংশে কেটে গেলো । চোখে মুখে একটু স্বস্তির ছায়া ভেসে উঠল । তার মনটা আজ অনেক খুসি , অনেক দিনের অতৃপ্ত আশা আজ পুরুন হতে চলেছে । সে এতটাই খুসি যে, কি করবে ভেবে পাচ্ছে না । ঘরের এক মাথা থেকে অন্য মাথা পর্যন্ত বারবার পাইচারি করছে ।

Sunday, June 28, 2015



সিএনজি থেকে নেমে প্রায় আধভেজা হয়ে এসে কাস্টমার সার্ভিস সেন্টারে ঢুকল জয়। বাইরে তখন মেঘের বিগড়ে যাওয়া মেজাজের প্রবল দাপট। রাস্তা থেকে তাই এটুকু পর্যন্ত প্রায় তড়িঘড়ি করে এসেও রক্ষা পেল না সে। গায়ের সাথে লেপটে যাওয়া ভেজা টি-শার্টটা টেনে ঠিক করতে করতে ওয়েটিং চেয়ারের সারি আর টোকেন-কাউন্টারকে পাশ কাটিয়ে কখন যে সার্ভিস কাউন্টারের সামনে চলে আসলো, সে টেরই পেল না। একই সারিতে তিনটা সার্ভিস কাউন্টার। মাথার উপরে ডিজিটাল ডিসপ্লেতে ভেসে ওঠা আলাদা আলাদা এক দুই তিন নম্বর দেখে বোঝা যায় এখানে আসলে তিনটা কাউন্টার। তা না হলে, সস্তা ফাস্টফুডের দোকানে দেয়াল ঘেঁষে পাকা করা উঁচু টেবিলগুলোর মতো লম্বা একটা ডেস্কেই তিনটা কাউন্টারকে আলাদা ভাবা বাইরের লোকের পক্ষে বেশ কঠিন হতো।
জয় সোজা হেঁটে এসে দুই নম্বর কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়েছে। কাচের পাল্লার দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকে সোজা হেঁটে সার্ভিস কাউন্টার পর্যন্ত আসলে দুই নম্বর কাউন্টারই সামনে পড়ে। দুই নম্বর কাউন্টারে ডেস্কের দিকে একেবারে ঝুঁকে পড়ে কাজ করতে থাকা মেয়েটাকে দেখে তৎক্ষনাৎ চমকে উঠল জয়। মিথিলা! চমকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই সচেতন হয়ে উঠল সে। ভেজা শরীরের রিনরিনে অনুভূতিটুকু এক ধাক্কায় উবে গেল। এক এবং তিন নম্বর কাউন্টারের অবস্থান দুই

Saturday, June 27, 2015

 ব্রাউজার ব্যবহার করি ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য। যেমনঃ মজিলা ফায়ারফক্স, গুগল চ্রম, সাফারি ইত্তাদি। আমরা আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুবিধার্থে আমাদের ব্রাউজার কে অনেক ভাবে সাজাই বিভিন্ন add-ons ইন্সটল করে (যেমনঃ Add block, Save as PDF, Content Bloker, Flash and Video Downloader ইত্তাদি.) এবং বুকমার্ক সংরক্ষন করে এছাড়া আরও অনেক ভাবে।

কিন্তু সমস্যা শুরু হয় তখন যখন আমরা আমাদের কম্পিউটার এ নতুন করে উইন্ডোজ ইন্সটল করি। কারন উইন্ডোজ ইন্সটল করার সময় আমরা c ড্রাইভ ফরম্যাট করে থাকি। এর ফলে আমরা এর আগে যে add-ons গুলো এবং বুকমার্ক গুলো সেভ করেছিলাম সেগুলো হারিয়ে ফেলি। এর ফলে আমাদের কে আবার নতুন করে সব add-ons ইন্সটল করতে হয়। যা অনেক বিরক্তিরকর একটা ব্যাপার।

এই সমস্যা সমাধানে নিয়ে এলাম চমৎকার একটি সফটওয়্যার। যার নাম MozBackup । এই সফটওয়্যার এর সুবিধা হচ্ছে এই সফটওয়্যার টি পোর্টেবল এবং এর সাইজ মাত্র ৭৭৪ কেবি।

যেভাবে ব্যবহার করবেন এই সফটওয়্যার।

১) প্রথমে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করুন। ডাউনলোড লিঙ্ক

আমরা অনেক ধরনের
2) তারপর MozBackup.exe ফাইল এ ক্লিক করুন, এটা জিপ ফাইল ওপেন করলে পাবেন।

৩) next এ ক্লিক করুন।

৪) তারপর select করুন আপনি কোনটা করবেন backup নাকি restore.

৫) তারপর আপনার browser select করুন।

৬) Next এ click করুন।

৭) browse এ click করে কোথায় save করবেন তা দেখিয়ে দিন। তারপর next এ click করুন।

৮) সবশেষে finish এ click করুন এবং enjoy করুন।

 


                                                              By Omar Faruk


ওয়েবসাইটের কারিগরি সমস্যা সমাধান না হওয়ায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফলাফল আজও প্রকাশ করা হবে কি না, তা নিশ্চিত করতে পারছে না ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড। এ কারণে ভর্তির নির্ধারিত সময়সীমা পরিবর্তনের চিন্তা চলছে বলেও বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।
দ্বিতীয় দফায় পেছানোর পর আজ শনিবার সকাল আটটায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফলাফল প্রকাশের কথা ছিল। কিন্তু সকাল ১০টার দিকে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, আজ ফল প্রকাশ হবে না কি না, সেই সম্ভাবনার কথা বলা যাচ্ছে না। তবে চেষ্টা চলছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এবার কলেজে ভর্তির কাজটি সমন্বয় করছে। বোর্ডের পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় ফলাফল প্রকাশ করার কথা ছিল। কিন্তু ওই দিন কারিগরি সমস্যার কারণে ফল প্রকাশ করতে পারেনি ঢাকা বোর্ড। এ জন্য এক দিন সময় বাড়িয়ে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় ফলাফল প্রকাশের সময় নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু শুক্রবার রাতে ফলাফল প্রকাশের সময় পিছিয়ে আজ শনিবার সকাল আটটায় তা প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়। কিন্তু আজ সকালেও তা প্রকাশ করা হয়নি।
ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের একটি সূত্র জানায়, যে ওয়েবসাইটে কাজ চলছে, সেখানে বড় ধরনের কারিগরি সমস্যা হচ্ছে। সেটি একাধিকার হ্যাকড হয়েছে। এ জন্য ফল প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
বারবার সময় দিয়েও ফল প্রকাশ করতে না পারায় ভর্তি-ইচ্ছুক লাখ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। সন্তানদের ভর্তি নিয়েও অভিভাবকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা রয়েছে। এবার মোট ১১ লাখ ৫৬ হাজার শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করে।

Thursday, June 25, 2015

 জীবনে যদি সত্যিই কাউকে মন
থেকে ভালোবেসে থাকো,
তাহলে তাকে হারিয়ে যেতে দিওনা ।।
কারণ চোখের জল
হয়তো মুছে ফেলতে
পারবে, কিন্তু মনে রেখো ।।
হৃদয়ের কান্নার জল কোনো ভাবেই
মুছতে পারবেনা ।
                               
                                                      By Omar Faruk

Ministry of Education

Smart Admission System
For
XI CLASS ADMISSION
(SESSION 2015 - 2016)
The XI class admission result will be published on 25 June 2015 at 23:30 (11:30 PM)