Friday, July 3, 2015



 প্রেমিকার জন্য প্রেমের এস এম এস

হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে অনেক দূরে যেখানে রয়েছে তোমার ভালোবাসার সূখের নীড়। আর সেই নীড়ে কাটিয়ে দিতে চাই শত জনম। আমি কল্পনার সাগরে ভেসে চলে জাব, জাব তোমার হৃদয় সৈকতে, তুমি দিবেনা ধরা?

তুমি কি জান পাখি কেন ডাকে? “তোমার ঘুম ভাংবে বলে। তুমি কি জান ফুল কেন ফুটে? “তুমি দেখবে বলে। তুমি কি জান আকাশ কেন কাদে? “তোমার মন খারাপ বলে। তুমি কি জান তোমাকে সবাই পছন্দ করে কেন? “তুমি খুব ভাল বলে। তুমি কি জান তুমি এত ভালো কেন? “তুমি আমার বন্দুবলে।

শুভ ক্ষন, শুভ দিন। মনে রেখ চির দিন। কষ্ট গুলো দূরে রেখ, স্বপ্ন গুলো পুরন করো, নতুন ভালো স্বপ্ন দেখো, আমার কথা মনে রেখ।আকাশ বলে তুমি নীল। বাতাস বলে তুমি বিল। নদী বলে তুমি সিমা হিন। চাঁদ বলে তুমি সুন্দর। ঘাস বলে তুমি সবুজ। ফুল বলে তুমি অবুজ। কিন্তু আমি বলি, “তুমি কেমন আছ?”

বন্ধু মানে সুখের সাথী। বন্ধু মনে রাগ। বন্ধু মানে দুঃখ সূখের সমান সমান ভাগ। বন্ধু মানে হালকা হেসে চোখের কোনের জল। বন্ধু মানে মনে পরলে একটা ছোট কল।কিছু কথা কিছু ‍পরিচয়, ক্ষনিকের হয়। কিছু ব্যাথা কিছু সৃষ্টি, ভূলার নয়। কিছু মানুষ কিছু বন্ধু চিরদিনের হয়। আই মিছ ইউ

জীবনের রং বড় বিচিত্র, কখনো লাল কখনো নীল। কখনো মুক্ত পাখির মতো। কখনো আবার চুপসে যাওয়া ফুলের মতো। হারিয়ে যায় কত চেনা মুখ। থেকে যায় সুধু অনাবিল সূখ।নীল নীলিমায় দূরে কোথায় মন যে হারায় বেকুলতায় মনে পরে যায়। একটা কথা ই মন জানতে চায় অবেলায় অবসরে মনে কি পরে আমায় আই মিছ ইউ

ভোরের মিষ্টি রোদের আলোয় মিছ কল দিয়, কান্ত দুপুরে মনে পরলে এসএমএস কর, গভীর নিঝুম রাতে যদি ভয় লাগে তবে ফোন কর ভূতের গল্প শুনাব কেমন।

এক টু কানে শুনো। এক টু আমায় জানো? এক টু সময় দিয়। এক টু খবর নিয়ো? এক টু যখন একা। এক টু দিয়ো দেখা? এক টু নিয়ো খোঁজ। এক টু ভেবো রোজ? এক টু আমায় ডেকো। ভীষন ভালো থেকো !

ভালোবাসার মাঝে সুখ আছে। ভালো থাকার মাঝে কষ্ট আছে। দূরে রাখার মাঝে টান আছে। মনে রাখার মাঝে প্রান আছে। তাই মনে রেখ আমায় চিরদিন।

দূর নীলিমায় নয়, আছি তোমার পাশে, খুজে দেখ আমায়, পাবে হৃদয়ের মাঝে, শুনবনা কোন গল্প, গাইবো শুধু গান যে-গান-এ আছে শুধু ভালোবাসার টান......শুভ ভালোবাসা দিবস

সকাল তো অনেক হয় বর্ষার মতো নয়, সময় তো অনেক হয় গোধূলীর মতো নয়, রাত তো অনেক হয় পূর্নীমার মতো নয়, বন্ধু তো অনেক হয় তোমার মতো নয়।

কিছু কিছু কবিতা লিখার আগে ভাষা হারিয়ে যায়। কিছু কিছু কথা বলার আগে সময় ফুরিয়ে যায়। কিছু কিছু স্বপ্ন দেখার আগে ঘুম ভেঙ্গে যায়। কিছু কিছু মানুষ আপন হওয়ার আগে দূরে চলে যায়। কেন এমন হয়?

রাতে জোসনা, দিনে আলো, কেন তোমায় লাগে ভালো? গোলাপ লাল, কোকিল কালো, সবার চাইতে তুমি ভালো। আকাশ নীল, মেঘ সাদা, সবার চাইতে তুমি আলাদা।

 সূখের জন্য স্বপ্ন”, দুখের জন্য হাসি”, দিনের জন্য আলো”, চাঁদের জন্য নিশি”, মনের জন্যআশা”, তোমার জন্য রহিল আমার ভালোবাসা

শুভ সকাল।টিপ টিপ বৃষ্টি পরে। একা বসে আছি ঘরে। তুমি আছো কেমন করে। জানাও আমায় এস এম এস করে। তোমার কথা মনে করে। মেসেজ দিলাম সেন্ট করে।



Wednesday, July 1, 2015

ভালবাসা সম্পর্কিত ৭টি কথাঃ
১. কারো চোখ, বা ঠোঁট কিংবা সুগঠিত শরীর এর কারনে ভালো লাগে
-তবে টা ভালবাসা নয়, বাছাই করা...
২. কারো বুদ্ধিমত্তা বা জীবনের দূরদর্শিতা থেকে কাউকে ভালো লাগে
-তবে তা ভালবাসা নয়, প্রশংসা মাত্র...
৩. কারো অর্থ-সম্পত্তি দেখে কাউকে ভালো লাগে
-তবে তা ভালবাসা নয়, লোভ...
৪. কেউ ছেড়ে যেতে চাচ্ছে বলে অপরজন সবসময় কাঁদে
-তবে তা ভালবাসা নয়, করুণা...
৫. মনঃবাসনা পূরণের জন্য কাউকে দরকার হলে
-তবে সেটা ভালবাসা না, লালসা...
৬. যদি এটা ঘুমাতে, খেতে কিংবা পড়তে ভুলিয়ে দেয়
-তবে তা ভালবাসা নয় মোহ...
৭. আপনি জানেন না কেন তবু ওই মানুষটাকেভালো লাগে
-তবে সেটাই ভালবাসা...
-ভালবাসতে কেবল একটি কারন লাগে আর তা হল অজানা.
                                                                                                         By Omar Faruk

Monday, June 29, 2015

রাত প্রায় তিনটা ।
হঠাৎ করেই কবির ফোনের স্ক্রিনটা জ্বলে উঠলো । নীলার ছবিটা স্ক্রিন জুড়ে ভেসে উঠেছে ।
calling… Neel Pori
ফোনটা কেটে দিলো কবি । আবার নীলা ফোন দিলো । এবার ফোনটা রিসিভ করলো কবি ।
:হ্যালো…
:কি হলো ? ফোন কেটে দিলে কেন ?
: রাত কয়টা বাজে, দেখেছো ? আমি ঘুমাচ্ছিলাম ।
: একদম মিথ্যে বলবে না আমাকে, আমি জানি তুমি রাতে ঘুমাতে পারো না ।
: কি বলবে, বলো….
: কি করো ?
: জানি না ।
: জানি না মানে কি, হ্যা…?
: জানি না মানে, i don’t know.
: ও আচ্ছা, তাই ?
: হ্যা, তাই ।
: i love you…
: আচ্ছা, আমার ঘুম পাচ্ছে, এখন রাখি, bye.
কথা শেষ করেই ফোনটা কেটে দিলো কবি । নীলার উত্তরের অপেক্ষা করলো না ।
ফোন কাটতে না কাটতেই আবার নীলার ফোন । ফোন রিসিভ করেই কবি বললো,
: আবার কী ? bye বললাম না ?
: আমি i love u বলেছি, আমার রিপ্লাই কই ?
: জানি না ।
: আবার জানি না !
: হ্যা
: আচ্ছা, তুমি এমন করছো কেন ? এখন আর আমাকে ফোন দাও না । মেসেজের রিপ্লাই দাও না । কি হয়েছে তোমার ?
: কই ? আমার কিছু হয়নি তো ! আমি সম্পূর্ণ সূস্থ! এক দমে ক, খ সব বলে দিতে পারবো ।
: প্লিজ কবি, ফাজলামো করো না । তুমি এখন আর আমার সাথে আগের মত কথা বলো না । আমি ফোন করলেই ফোন রেখে দেয়ার জন্যে পাগল হয়ে ওঠো ! বাই বলেই ফোন রেখে দাও, আমার রিপ্লাইয়ের অপেক্ষা পর্যন্ত করো না !!! আমি কি কোন ভুল করেছি ? প্লিজ, আমাকে বলো, আমি নিজেকে শুধরে নিবো । আমার সাথে এমন করো না প্লিজ, আমার যে খুব কষ্ট হয় ।
: এত রাত জাগা ভালো না । তুমি ঘুমাও ।
: আমি তোমাকে i love u বলেছি, আমার রিপ্লাই দাও আগে ।
: কালকে দিবো, বাই…..
কবি আবার ফোন রেখে দিলো ।

কাশটা খানিক মেঘলা ছিলো। ঝিনুক রিকশায় উঠে চলে যাচ্ছিলো। ফোনের দিকে তাকালাম। নিয়ম হয়ে গেছে যে যাওয়ার সময় ফোন দেবেই সে। সামনে বসে যত ঘন্টাই কথা হোক না কেন
রিকশা উঠে ওর মনে পড়েই যাবে কি কি বাকি রয়ে গেছে। তাই ফোন দিয়ে সেগুলো বলে যাবে অনর্গল।
ফোন বাজছে কিন্তু ধরলাম না। চলে যেতে থাকা রিকশার দিকে তাকিয়ে আছি। হুডের পেছন দিকে সামান্য ফাঁক থাকে রিকশায়। ওদিক দিয়েই পেছন ফিরে তাকালো। চোখে প্রশ্ন কেন ধরছি না ফোন। উত্তর দিলাম আর অপেক্ষা নয়। ধরলাম কল।
কি ব্যাপার কল ধরো না কেন?
তোমাকে আর একটু দেখতে ইচ্ছে হলো তাই।
মানে? আবার কিভাবে দেখবা?
এই যে পেছন ফিরে তাকালে?
তা তো তুমি ফোন ধরছো না দেখে তাই।
কালের আলোতে চোখের স্নান করানোর ইচ্ছা ‘মায়া’র অনেক দিনের । কিন্তু কোন দিনই সে সকালে উঠতে পারে না । আজ হঠাৎ ফজরের আজানের শব্দ শুনে হুড়মুড় করে বেড থেকে উঠে বসলো । মনে হয় খারাপ কোন স্বপ্ন দেখেছে । অন্ধকারের মাঝে বেডের পাসে ছোট বক্সের উপর রাখা টেবিল ল্যাম্পের সুইজ হাতড়াতে লাগলো । বাইরে হালকা-হালকা আলোর আভা বেরনো শুরু হয়েছে । ‘মায়া’ কোনরকমে লাইট দিয়ে, টেবিলের উপর শেড দিয়ে ঢাকা পানির গ্লাসটা এক ঢোকে শেষ করে দিল । পূর্ব দিকের জানালার পর্দার ফাঁক দিয়ে হালকা আলোর ছটা এসে বিছানার উপর পড়ছে । তার ভয় ভয় ভাবটা অনেক অংশে কেটে গেলো । চোখে মুখে একটু স্বস্তির ছায়া ভেসে উঠল । তার মনটা আজ অনেক খুসি , অনেক দিনের অতৃপ্ত আশা আজ পুরুন হতে চলেছে । সে এতটাই খুসি যে, কি করবে ভেবে পাচ্ছে না । ঘরের এক মাথা থেকে অন্য মাথা পর্যন্ত বারবার পাইচারি করছে ।

Sunday, June 28, 2015



সিএনজি থেকে নেমে প্রায় আধভেজা হয়ে এসে কাস্টমার সার্ভিস সেন্টারে ঢুকল জয়। বাইরে তখন মেঘের বিগড়ে যাওয়া মেজাজের প্রবল দাপট। রাস্তা থেকে তাই এটুকু পর্যন্ত প্রায় তড়িঘড়ি করে এসেও রক্ষা পেল না সে। গায়ের সাথে লেপটে যাওয়া ভেজা টি-শার্টটা টেনে ঠিক করতে করতে ওয়েটিং চেয়ারের সারি আর টোকেন-কাউন্টারকে পাশ কাটিয়ে কখন যে সার্ভিস কাউন্টারের সামনে চলে আসলো, সে টেরই পেল না। একই সারিতে তিনটা সার্ভিস কাউন্টার। মাথার উপরে ডিজিটাল ডিসপ্লেতে ভেসে ওঠা আলাদা আলাদা এক দুই তিন নম্বর দেখে বোঝা যায় এখানে আসলে তিনটা কাউন্টার। তা না হলে, সস্তা ফাস্টফুডের দোকানে দেয়াল ঘেঁষে পাকা করা উঁচু টেবিলগুলোর মতো লম্বা একটা ডেস্কেই তিনটা কাউন্টারকে আলাদা ভাবা বাইরের লোকের পক্ষে বেশ কঠিন হতো।
জয় সোজা হেঁটে এসে দুই নম্বর কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়েছে। কাচের পাল্লার দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকে সোজা হেঁটে সার্ভিস কাউন্টার পর্যন্ত আসলে দুই নম্বর কাউন্টারই সামনে পড়ে। দুই নম্বর কাউন্টারে ডেস্কের দিকে একেবারে ঝুঁকে পড়ে কাজ করতে থাকা মেয়েটাকে দেখে তৎক্ষনাৎ চমকে উঠল জয়। মিথিলা! চমকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই সচেতন হয়ে উঠল সে। ভেজা শরীরের রিনরিনে অনুভূতিটুকু এক ধাক্কায় উবে গেল। এক এবং তিন নম্বর কাউন্টারের অবস্থান দুই