Wednesday, June 3, 2015
By JS Photography / Posted on 11:34:00 PM / No comments / Categories: News
By JS Photography / Posted on 2:57:00 AM / No comments / Categories: Education
- নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ইউনির্ভাসিটি অব সাইন্সেস এন্ড টেকনোলজি, চট্টগ্রাম
- ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস অ্যান্ড এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি
- ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনির্ভাসিটি , বাংলাদেশ
- সেনট্রাল ইউমেন্স বিশ্ববিদ্যালয়
- দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়
- ইন্টারন্যাশেন্যাল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় , চট্টগ্রাম
- আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
- অ্যামেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ
- কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
- এশিয়ান ইউনির্ভাসিটি, বাংলাদেশ
- ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়
- কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়
- এশিয়া প্যাসেফিক বিশ্ববিদ্যালয়
- গণ বিশ্ববিদ্যালয়
- পিপল ইউনির্ভাসিটি, বাংলাদেশ
- ঢাকা ইন্টারন্যাশেন্যাল বিশ্ববিদ্যালয়
- ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি
- মানারাত ইন্টারন্যাশেন্যাল বিশ্ববিদ্যালয়
- বাংলাদেশ ইউনির্ভাসিটি
- লিডিং ইউনির্ভাসিটি
- ইউনির্ভাসিটি অফ ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ (UODA)
- বেগম গুলচিমনারা ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়
- প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম
- সিলেট ইন্টারন্যাশেন্যাল বিশ্ববিদ্যালয়
- সাউথ ইষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়
- স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
- ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশেন্যাল বিশ্ববিদ্যালয়
- স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ
- সিটি বিশ্ববিদ্যালয়
- আমেরিকান বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়
- প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয়
- নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়
- সাউর্দান বিশ্ববিদ্যালয়
- পুন্ড্রা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
- গ্রিন বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ
- ওর্য়াল্ড বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ
- সানতা মারিয়াম ইউনির্ভাসিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি
- মিলিনিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়
- ইর্স্টান বিশ্ববিদ্যালয়
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি)
- মেট্রপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
- উনাইডেট ইন্টারন্যাশেন্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ( UIU)
- ভিকটোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়
- উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়
- ইউনির্ভাসিটি অব সাউথ এশিয়া
- প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়
- ইউনির্ভাসিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি এন্ড সাইন্সেস
- প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়
- রয়াল ইউনির্ভাসিটি অব ঢাকা
- ইউনির্ভাসিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ
- অতীশ দীপনঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
Tuesday, June 2, 2015
By JS Photography / Posted on 10:15:00 AM / No comments / Categories: Poem
শবে-বরাত
গোলাম মোস্তফা
সারা মুসলিম দুনিয়ায় আজি এসেছে নামিয়া ‘শবে-বরাত’
রুজি-রোজগার-জান-সালামৎ বণ্টন-করাপুণ্য রাত।
এস বাংলার মুস্লেমিন
হৃত বঞ্চিত নিঃস্ব দীন,
হৃত বঞ্চিত নিঃস্ব দীন,
ভাগ্য-রজনী এসেছে মোদের, কর মোনাজাত-পাতো দু’হাত।
ভান্ডার-দ্বার খুলেছে আজিকে দয়াময় রহমান-রহিম,
বিশ্ব-দানের উৎসব আজি চিরপবিত্র মহামহিম।
শত ফেরেশতা দলে দলে
দিকে দিকে আজি ওই চলে,
দিকে দিকে আজি ওই চলে,
নিখিল বিশ্বে একি কলরোল- একি প্রীতি-প্রেম-স্নেহ অসীম!
আকাশ-তোরণে রশন-চৌকি-উৎসব-নিশি আলো-জ্বালা,
ঝালর-ঝুলানো ঝাড়-লণ্ঠন পূর্ণিমা-চাঁদ সুধা-ঢালা।
ঝালর-ঝুলানো ঝাড়-লণ্ঠন পূর্ণিমা-চাঁদ সুধা-ঢালা।
নীল-ফিরোজার গালিচা-গায়ে
কারুকলা আঁকা কোটি তারায়,
কারুকলা আঁকা কোটি তারায়,
আসন-বিছানো সে মহাসভায় বসিয়াছে খোদ খোদাতালা।
রহমৎ আজি যেতেছে লুটিয়া- কোটি ফেরেশতা ভারে ভারে
খোদার শিরনী ফিরনী-বাঁটিয়া ফিরিতেছে ওই দ্বারে দ্বারে।
খোদার শিরনী ফিরনী-বাঁটিয়া ফিরিতেছে ওই দ্বারে দ্বারে।
মলয়-সমীর সুরভি তার-
নহে এ গন্ধ ফুল-বালার,
নহে এ গন্ধ ফুল-বালার,
বেহেশতী সেই খোশ্-বু যেন গো ভেসে আসে আজ বারে বারে।
ওরে হতভাগা নাদান মূর্খ, তন্দ্রা-অলস মোহ-বিভল,
ওরে হতভাগা নাদান মূর্খ, তন্দ্রা-অলস মোহ-বিভল,
গাফিল হইয়া রবি কি আজিকে? মহা রজনীযাবে বিফল?
রাজার প্রাসাদে মহাদানের
উৎসব আজি আলো গানের।
উৎসব আজি আলো গানের।
রিক্ত কাঙ্গাল যাবি না কি সেথা? পড়ে রবি হেথা চিরটি কাল?
আয় আয় ওরে ওঠে আয় সবে, দলে দলে তোরা আয় ছুটে,
ভাগ্য-সভায় যেতে হবে আজ- শত নিয়ামতনেব লুটে।
ভাগ্য-সভায় যেতে হবে আজ- শত নিয়ামতনেব লুটে।
নেব নাকো দান খয়রাতি
ভিক্ষুক সব হাত পাতি
দাবী-করা দান লইব আমরা একসাথে আজি সব জুটে।
ভিক্ষুক সব হাত পাতি
দাবী-করা দান লইব আমরা একসাথে আজি সব জুটে।
বলিব আমরা- এয়, খোদা! মোরা কাফের নহি ত-মুসলমান
সারা দুনিয়ায় যুগে যুগে মোরা তোমার মহিমা করেছি গান
সারা দুনিয়ায় যুগে যুগে মোরা তোমার মহিমা করেছি গান
তোমারে বল ত চিনিত কে?
চিনায়েছি মোরা লোকে লোকে।
চিনায়েছি মোরা লোকে লোকে।
মোরা দলে দলে সৈন্য সাজিয়া উড়ায়েছি তব জয়-নিশান।
তোমার বারতা প্রচার করিতে ছেড়েছি আমরা সুখ-এরেম,
ধরায় ধূলায় আসন পেতেছি ছাড়ি বেহেশ্তি হুর-হেরেম।
ধরায় ধূলায় আসন পেতেছি ছাড়ি বেহেশ্তি হুর-হেরেম।
হয়েছি তোমার প্রতিনিধি
মানিয়া চলেছি তব বিধি,
তোমার নামের বিনিময়ে মোরা চাহিনি মুকুট-মুক্তা হেম!
মানিয়া চলেছি তব বিধি,
তোমার নামের বিনিময়ে মোরা চাহিনি মুকুট-মুক্তা হেম!
পুত্রেরে মোরা কোরবানি দিছি, ফেলিনি অশ্রু-বিন্দু তায়,
দান্দান্ ভেঙ্গে লহু ঝরিয়াছে- লুকায়ে ফিরেছি গিরি-গুহায়।
দান্দান্ ভেঙ্গে লহু ঝরিয়াছে- লুকায়ে ফিরেছি গিরি-গুহায়।
সহিয়া কত না অত্যাচার
মুক্তি এনেছি ‘খানে কাবার’
পশু সীমারের হস্তে আমরা শহীদ হয়েছি কারবালায়।
মুক্তি এনেছি ‘খানে কাবার’
পশু সীমারের হস্তে আমরা শহীদ হয়েছি কারবালায়।
শত নিপীড়ন তীব্র-দহন মৃত্যুর নাহিকরি’ খেয়াল
তোমার কলেমা ঘোষণা করেছে- আজান দিয়েছে শত বেলাল।
তোমার কলেমা ঘোষণা করেছে- আজান দিয়েছে শত বেলাল।
শবে-বরাত
ছুটেছি আমরা দিকে দিকে
‘কোহ্ কাফে’, অতলান্তিকে
হস্তে লইয়া তলোয়ার আর খঞ্জর-নব আল-হেলাল।
ছুটেছি আমরা দিকে দিকে
‘কোহ্ কাফে’, অতলান্তিকে
হস্তে লইয়া তলোয়ার আর খঞ্জর-নব আল-হেলাল।
ভ্রান্ত পথিকে দেখায়েছি মোরা তব ‘সেরাতুল মোস্তাকিম্’
‘বোৎপরস্তী দূর করি’ সবে তোমার মন্ত্রে দিছি তালিম।
‘বোৎপরস্তী দূর করি’ সবে তোমার মন্ত্রে দিছি তালিম।
আলোকের জয়-অভিযানে
যুঝেছি আমরা মনে প্রাণে,
তোমারি হুকুম তামিল করেছি, দীন-দুনিয়ার ওগো হাকিম!
যুঝেছি আমরা মনে প্রাণে,
তোমারি হুকুম তামিল করেছি, দীন-দুনিয়ার ওগো হাকিম!
আজিও তোমার সুধার সওদা বিশ্বে আমরা করি ফেরি,
ওই শোন আজি দিকে দিকে তাই তোমার নামের বাজে ভেরী।
ওই শোন আজি দিকে দিকে তাই তোমার নামের বাজে ভেরী।
জ্বেলেছি নূরের নব শিখা
এশিয়া ইউরোপ আমেরিকা,
আমাদেরি হাতে সারা ধরণীর মুক্তি আসিছে- নাহি দেরি।
এত সেবা আর এত প্রাণপাত- সকলি কি আজ বৃথা হবে?
প্রতিদান কিছু পাব না আমরা? বঞ্চিত হয়ে রব সবে?
হ’য়ে থাকি যদি অপরাধী
তাই ব’লে এত বাদাবাদি?
সবাই মোদের মেরে যাবে, আর তুমি দূর হতে চেয়ে রবে?
হবে না প্রভু হবে না তা- আজি এ মহাদানের শুভ রাতে
আমাদের পানে চাহিতে হইবে করুণ-কোমল আঁখি-পাতে।
করে যারা তব অসম্মান
তাহাদের দাও কত না দান।
আমাদের কি গো নাই অধিকার তব প্রেম-সুধা-করুণাতে?
বল, কথা দাও, সাড়া দাও আজি, জবাব দাওএ প্রার্থনার,
যদি নাহি দাও- খাবো না আমরা আজি এ ফিরনী-রুটি তোমার।
না জাগে আজিকে যদি এ জাত
মিথ্যা তোমার ‘শবে-বরাত।’
মিথ্যা তোমার ভুবনে ভুবনে এত আয়োজন দান-করার।
শবে-বরাতের রাত্রিতে আজি, চাহি নাকো শুধু ধন ও মান,
সবার ভাগ্যে দিও যাহা খুশি- জাতির দিওগো মুক্তি দান।
জাগরণ লিখো নসিবে তার,
দিও সাধ প্রাণে বড় হবার,
নব-গৌরবে বিশ্বে আবার দাঁড়ায় যেন এ মুসলমান।
এশিয়া ইউরোপ আমেরিকা,
আমাদেরি হাতে সারা ধরণীর মুক্তি আসিছে- নাহি দেরি।
এত সেবা আর এত প্রাণপাত- সকলি কি আজ বৃথা হবে?
প্রতিদান কিছু পাব না আমরা? বঞ্চিত হয়ে রব সবে?
হ’য়ে থাকি যদি অপরাধী
তাই ব’লে এত বাদাবাদি?
সবাই মোদের মেরে যাবে, আর তুমি দূর হতে চেয়ে রবে?
হবে না প্রভু হবে না তা- আজি এ মহাদানের শুভ রাতে
আমাদের পানে চাহিতে হইবে করুণ-কোমল আঁখি-পাতে।
করে যারা তব অসম্মান
তাহাদের দাও কত না দান।
আমাদের কি গো নাই অধিকার তব প্রেম-সুধা-করুণাতে?
বল, কথা দাও, সাড়া দাও আজি, জবাব দাওএ প্রার্থনার,
যদি নাহি দাও- খাবো না আমরা আজি এ ফিরনী-রুটি তোমার।
না জাগে আজিকে যদি এ জাত
মিথ্যা তোমার ‘শবে-বরাত।’
মিথ্যা তোমার ভুবনে ভুবনে এত আয়োজন দান-করার।
শবে-বরাতের রাত্রিতে আজি, চাহি নাকো শুধু ধন ও মান,
সবার ভাগ্যে দিও যাহা খুশি- জাতির দিওগো মুক্তি দান।
জাগরণ লিখো নসিবে তার,
দিও সাধ প্রাণে বড় হবার,
নব-গৌরবে বিশ্বে আবার দাঁড়ায় যেন এ মুসলমান।
By JS Photography / Posted on 5:54:00 AM / No comments / Categories: Jokes
১
এক
মহিলা ঢাকা শহরে দুপুর
বেলায় ফ্লাট বাসায়
দরজা লাগিয়ে সব কাপড়
খুলে গোসল করছে।
হঠাৎ দরজায় নক পড়লো।
মহিলা দরজার
ফুটো দিয়ে দেখলো যে পাশের
বাড়ির অন্ধ
বেলায় ফ্লাট বাসায়
দরজা লাগিয়ে সব কাপড়
খুলে গোসল করছে।
হঠাৎ দরজায় নক পড়লো।
মহিলা দরজার
ফুটো দিয়ে দেখলো যে পাশের
বাড়ির অন্ধ
ছেলেটা দাঁড়িয়ে আছে।
মহিলা ভাবলো,
আমি তো লেংটা এটা তো আর
ও দেখতে পাবে না।
কারণ ওতো অন্ধ।
মহিলা দরজা খুলে বলল,
কি বাবা কি হয়েছে?
অন্ধ ছেলেটাঃ আন্টি আম্মু
এই
মিষ্টি গুলো পাঠিয়েছে।
মহিলাঃ মিষ্টি কেনো বাবা?
.
.
.
.
.
.
অন্ধ ছেলেঃ আন্টি আজ সকাল
থেকে আমি চোখে দেখা শুরু
করেছি..!!
মহিলা ভাবলো,
আমি তো লেংটা এটা তো আর
ও দেখতে পাবে না।
কারণ ওতো অন্ধ।
মহিলা দরজা খুলে বলল,
কি বাবা কি হয়েছে?
অন্ধ ছেলেটাঃ আন্টি আম্মু
এই
মিষ্টি গুলো পাঠিয়েছে।
মহিলাঃ মিষ্টি কেনো বাবা?
.
.
.
.
.
.
অন্ধ ছেলেঃ আন্টি আজ সকাল
থেকে আমি চোখে দেখা শুরু
করেছি..!!
2
এক
মেয়ে এক সাধু
বাবার নিকট
গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস
করল।
মেয়েঃ আচ্ছা বাবা,
মেয়েরা যদি ৫টা ছেলের
সাথে প্রেম
করে তাহলে তাকে
খারাপ মেয়ে বলে।
আর
একটা ছেলে যদি ৫টা মেয়ের
সাথে প্রেম
করে তাহলে তাকে খারাপ
ছেলে বলেনা কেন?
বাবাঃ (অনেকক্ষণ
ভেবে)
আচ্ছা মা, ধর
একটা তালা যদি অন্নের
৫টা
চাবি দিয়া খুলে যায়
তাহলে ঐ
তালাকে কি বলে?
মেয়েঃ নষ্ট
তালা বলবে।
বাবাঃ আচ্ছা...ভাল....
আর
একটা মাত্র
চাবি দিয়া যদি অন্নের
৫ট
তালা সহজেই
খুলে যায় তাহলে ঐ
চাবিকে কি বলে?
মেয়েঃ ভাল
চাবি বলে।
বাবাঃ তাহলে মেয়েরা হচ্ছে একটা তালা আর
ছেলেরা হচ্ছে চাবি।
বাবার নিকট
গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস
করল।
মেয়েঃ আচ্ছা বাবা,
মেয়েরা যদি ৫টা ছেলের
সাথে প্রেম
করে তাহলে তাকে
খারাপ মেয়ে বলে।
আর
একটা ছেলে যদি ৫টা মেয়ের
সাথে প্রেম
করে তাহলে তাকে খারাপ
ছেলে বলেনা কেন?
বাবাঃ (অনেকক্ষণ
ভেবে)
আচ্ছা মা, ধর
একটা তালা যদি অন্নের
৫টা
চাবি দিয়া খুলে যায়
তাহলে ঐ
তালাকে কি বলে?
মেয়েঃ নষ্ট
তালা বলবে।
বাবাঃ আচ্ছা...ভাল....
আর
একটা মাত্র
চাবি দিয়া যদি অন্নের
৫ট
তালা সহজেই
খুলে যায় তাহলে ঐ
চাবিকে কি বলে?
মেয়েঃ ভাল
চাবি বলে।
বাবাঃ তাহলে মেয়েরা হচ্ছে একটা তালা আর
ছেলেরা হচ্ছে চাবি।
3
>>ম্যাডাম ক্লাশে পড়াচ্ছেন।
>>তো এক ছাত্র
হঠাত্
দাডিয়ে বললঃ-
ম্যাডাম আপনার
কাধে তিল
টা না খুব সুন্দর
দেখাচ্ছে!!
ম্যাডামঃ (রেগে)
কি বললি?বেয়াদপ
ছেলে, ক্লাশ
থেকে বের
হয়ে যা,আগামী ৫দিন
যাতে তোকে ক্লাশে না দেখি।
>>ম্যাডাম আবার
পড়ানো শুরু করল।
কিছুক্ষন পর
আরেকটি ছেলে দাডিয়ে বললঃ-
ম্যাডাম আপনার
কোমরের তিল
টা না হেব্বি লাগছে!!
ম্যাডামঃ কি!!!
(প্রচন্ড রেগে)
এক্ষুনি ক্লাশ
থেকে বের
হয়ে যা,আগামী ১০দিন
যাতে তোকে ক্লাশে না দেখি।
>>এই বলে ম্যাডাম
আবার
পড়ানো শুরু করল।
>>হঠাত্ বল্টু ব্যাগ
নিয়ে ক্লাশ
থেকে বের
হয়ে যেতে লাগল।
তো ম্যাডাম
বলতেছেঃ-
কী ব্যাপার বল্টু
তুমি কই যাও?
::
::
::
::
::
বল্টু
বলতেছেঃ ম্যাডাম
আমি যা দেখে ফেলেছি,
তাতে আমার
হয়তো আর
স্কুলেই
পড়া হবেনা!
>>তো এক ছাত্র
হঠাত্
দাডিয়ে বললঃ-
ম্যাডাম আপনার
কাধে তিল
টা না খুব সুন্দর
দেখাচ্ছে!!
ম্যাডামঃ (রেগে)
কি বললি?বেয়াদপ
ছেলে, ক্লাশ
থেকে বের
হয়ে যা,আগামী ৫দিন
যাতে তোকে ক্লাশে না দেখি।
>>ম্যাডাম আবার
পড়ানো শুরু করল।
কিছুক্ষন পর
আরেকটি ছেলে দাডিয়ে বললঃ-
ম্যাডাম আপনার
কোমরের তিল
টা না হেব্বি লাগছে!!
ম্যাডামঃ কি!!!
(প্রচন্ড রেগে)
এক্ষুনি ক্লাশ
থেকে বের
হয়ে যা,আগামী ১০দিন
যাতে তোকে ক্লাশে না দেখি।
>>এই বলে ম্যাডাম
আবার
পড়ানো শুরু করল।
>>হঠাত্ বল্টু ব্যাগ
নিয়ে ক্লাশ
থেকে বের
হয়ে যেতে লাগল।
তো ম্যাডাম
বলতেছেঃ-
কী ব্যাপার বল্টু
তুমি কই যাও?
::
::
::
::
::
বল্টু
বলতেছেঃ ম্যাডাম
আমি যা দেখে ফেলেছি,
তাতে আমার
হয়তো আর
স্কুলেই
পড়া হবেনা!
4
বাসের ভিড়ে এক
ছেলের গায়ে এক
মেয়ের বুক বার
বার ঘসা খাচ্ছিল।
আর সহ্য
করতে না পেরে ছেলেটা শেষে বলেই
ফেললঃ-
"মিস, আপনার
আপেল তো আমার
গায়ে লাগছে বার
বার!!!"
মেয়েঃ আপেল তো আমার।
তো আপনার
কি সমস্যা???
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
ছেলেঃ "আপেল
তো আপনার ঠিক
আছে, কিন্তু জুস
তোআমার বের
হচ্ছে !!!
ছেলের গায়ে এক
মেয়ের বুক বার
বার ঘসা খাচ্ছিল।
আর সহ্য
করতে না পেরে ছেলেটা শেষে বলেই
ফেললঃ-
"মিস, আপনার
আপেল তো আমার
গায়ে লাগছে বার
বার!!!"
মেয়েঃ আপেল তো আমার।
তো আপনার
কি সমস্যা???
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
ছেলেঃ "আপেল
তো আপনার ঠিক
আছে, কিন্তু জুস
তোআমার বের
হচ্ছে !!!
5
→এক
মেয়ের সাথে আরেক মেয়ের
কথা হচ্ছে
→১ম মেয়েঃ আজকালকের ছেলেদের
কোন বিশ্বাস নাই
আমি তো আজকে থেকে ওর মুখও
দেখতে চাইনা...
→২য়
মেয়েঃকি হইছে তুমি কি ওকে অন্য কোন
মেয়ের সাথে দেখে ফেলছ....
!
!
!
!
!
!
!
!
!→১ম মেয়েঃ আরে না ও
আমারে আরেক ছেলের
সাথে দেখে ফেলছে...
কালকে ও আমারে বলছিলও নাকি শহরের
বাইরে যাবে মিথ্যুক , বদ, ধোঁকাবাজ......
কথা হচ্ছে
→১ম মেয়েঃ আজকালকের ছেলেদের
কোন বিশ্বাস নাই
আমি তো আজকে থেকে ওর মুখও
দেখতে চাইনা...
→২য়
মেয়েঃকি হইছে তুমি কি ওকে অন্য কোন
মেয়ের সাথে দেখে ফেলছ....
!
!
!
!
!
!
!
!
!→১ম মেয়েঃ আরে না ও
আমারে আরেক ছেলের
সাথে দেখে ফেলছে...
কালকে ও আমারে বলছিলও নাকি শহরের
বাইরে যাবে মিথ্যুক , বদ, ধোঁকাবাজ......
6
(জটিল জোক্সস১৮+)
বল্টুরএকটা মুদ্রাদোষ
আছে।বল্টুযে কোন
কথা বলার শেষে বলে বাল।যেমন:ওর
মা বলতেছে মা:কিরে বল্টূ ভাত
খাবি না?
কথা বলার শেষে বলে বাল।যেমন:ওর
মা বলতেছে মা:কিরে বল্টূ ভাত
খাবি না?
বল্টু:ভাত খাবো না বাল।
সেই বল্টু S S C
পরীক্ষা দিবে।
স্কুলের
সাররা বার বার
বলে দিলো পরীক্ষার খাতাই যেন
লেখার
শেষে বাল না লিখে।
বল্টুর আজ
বাংলা পরীক্ষা।
তো পরীক্ষা শেষ
আর মাত্র দূই মিনিট সময়
আছে।বল্টু
খাতা রিভিশন
করতে গিয়ে দেখে প্রত্যেক
লাইনের শেষে বাল
লেখা। বল্টুতো অবাক
এখন
কি করে,বাল
লেখাটা যে কেটে দিবে তার
সময়ও নেই।তবুও
কিছু বাল লেখা কেটে দিলো।।
হঠাৎ করে বল্টুর
মাথায়
একটা বুদ্ধি আসল।
খাতার
শেষের পাতায় বড়
করে লিখে দিলো।
সার মহোদয়
সময়ের
অভাবে সব বাল
কাটতে পারলাম না!!
বাকী কয়টা আপনি কেটে নিবেন!!
সেই বল্টু S S C
পরীক্ষা দিবে।
স্কুলের
সাররা বার বার
বলে দিলো পরীক্ষার খাতাই যেন
লেখার
শেষে বাল না লিখে।
বল্টুর আজ
বাংলা পরীক্ষা।
তো পরীক্ষা শেষ
আর মাত্র দূই মিনিট সময়
আছে।বল্টু
খাতা রিভিশন
করতে গিয়ে দেখে প্রত্যেক
লাইনের শেষে বাল
লেখা। বল্টুতো অবাক
এখন
কি করে,বাল
লেখাটা যে কেটে দিবে তার
সময়ও নেই।তবুও
কিছু বাল লেখা কেটে দিলো।।
হঠাৎ করে বল্টুর
মাথায়
একটা বুদ্ধি আসল।
খাতার
শেষের পাতায় বড়
করে লিখে দিলো।
সার মহোদয়
সময়ের
অভাবে সব বাল
কাটতে পারলাম না!!
বাকী কয়টা আপনি কেটে নিবেন!!
7
১৮
জোকস,,,,
ছাত্র গেছে ম্যাডামের
কাছে পড়তে। ক্লাস
ফোরে পড়ুয়া বাচ্চা।
পড়াতে পড়াতে অনেক
রাত হয়ে গেলো। ছাত্রঃম্যাডাম,ব
বাইরে তো ঝড়
হচ্ছে,আমার
বাসাতো অনেকদূরে।
আমি কিভাবে যাবো?
ম্যাডামঃতুমি এক কাজ করো,, আমার
বাসায়
আজকে থেকে যাও।
আমি তোমার বাসায়
ফোন
করে জানিয়ে দিবো। ছাত্রঃকিন্তু
ম্যাডাম,ছোটবেলা
থেকে আমার
একটা অভ্যাস
আছে,আমি আমার
ভাবির নাভিতে আংগুল রেখে ঘুমাই।
নাভি ধরে না ঘুমালে আমার
ঘুম আসে না। ম্যাডাম
কিছুক্ষন
ভেবে বললেন
ঠিকআছে,তুমি আমার নাভিতে আংগুল
রেখে ঘুমাইয়ো।
সকালে নাস্তা করার
সময় ম্যাডাম
ছাত্রকে বললেনঃতুমি কালকে নাভি মনে করে যেটাতে আংগুল
রেখে ঘুমাইছো সেইটা আসলে আমার
নাভি ছিলনা...!
ছাত্রঃম্যাডাম
আপনিও
যেইটাকে আংগুল
ভাবছিলেন
সেইটা আসলে আমার আংগুল ছিল না....
হেঃ হেঃ হেঃ...!!
জোকস বুঝসেন?
ছাত্র গেছে ম্যাডামের
কাছে পড়তে। ক্লাস
ফোরে পড়ুয়া বাচ্চা।
পড়াতে পড়াতে অনেক
রাত হয়ে গেলো। ছাত্রঃম্যাডাম,ব
বাইরে তো ঝড়
হচ্ছে,আমার
বাসাতো অনেকদূরে।
আমি কিভাবে যাবো?
ম্যাডামঃতুমি এক কাজ করো,, আমার
বাসায়
আজকে থেকে যাও।
আমি তোমার বাসায়
ফোন
করে জানিয়ে দিবো। ছাত্রঃকিন্তু
ম্যাডাম,ছোটবেলা
থেকে আমার
একটা অভ্যাস
আছে,আমি আমার
ভাবির নাভিতে আংগুল রেখে ঘুমাই।
নাভি ধরে না ঘুমালে আমার
ঘুম আসে না। ম্যাডাম
কিছুক্ষন
ভেবে বললেন
ঠিকআছে,তুমি আমার নাভিতে আংগুল
রেখে ঘুমাইয়ো।
সকালে নাস্তা করার
সময় ম্যাডাম
ছাত্রকে বললেনঃতুমি কালকে নাভি মনে করে যেটাতে আংগুল
রেখে ঘুমাইছো সেইটা আসলে আমার
নাভি ছিলনা...!
ছাত্রঃম্যাডাম
আপনিও
যেইটাকে আংগুল
ভাবছিলেন
সেইটা আসলে আমার আংগুল ছিল না....
হেঃ হেঃ হেঃ...!!
জোকস বুঝসেন?
8
---বল্টু কলেজে নতুন তাই সে কলেজের
বাথরুম চেনেনা..... এক
মেয়েরে জিগাইলো.......
.
.
বল্টু: এই যে আপু প্রস্রাব করার
জায়গাটা একটু
দেখাবেন??
.
.
মেয়ে: যাহ্ দুস্টু
|
|
|
|
|
|
|
আগে তোমারটা দেখাও তারপর
আমারটা দেখাবো।
বাথরুম চেনেনা..... এক
মেয়েরে জিগাইলো.......
.
.
বল্টু: এই যে আপু প্রস্রাব করার
জায়গাটা একটু
দেখাবেন??
.
.
মেয়ে: যাহ্ দুস্টু
|
|
|
|
|
|
|
আগে তোমারটা দেখাও তারপর
আমারটা দেখাবো।
9
মেয়েঃ আপনার
মোবাইল টা তো
খুব সুন্দর।
কতো টাকা দিয়ে কিনছেন?
,
, ,
,
,
মন্টুঃ দৌড়
প্রতিযোগীতায়
জিতে পাইছি।
, ,
,
মেয়েঃ ওহ!
প্রতিযোগী কতজন
ছিলো?
,
, ,
,
,
,
,
মন্টুঃ ২জন পুলিশ,
দোকানদার আর
আমি।
মোবাইল টা তো
খুব সুন্দর।
কতো টাকা দিয়ে কিনছেন?
,
, ,
,
,
মন্টুঃ দৌড়
প্রতিযোগীতায়
জিতে পাইছি।
, ,
,
মেয়েঃ ওহ!
প্রতিযোগী কতজন
ছিলো?
,
, ,
,
,
,
,
মন্টুঃ ২জন পুলিশ,
দোকানদার আর
আমি।
10
এক
মেয়ে এক সাধু বাবার নিকট
গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করল...
মেয়েঃ আচ্ছা বাবা,
মেয়েরা যদি ৫টা ছেলের
সাথে প্রেম
করে তাহলে তাকে খারাপ মেয়ে বলে।
আর একটা ছেলে যদি ৫টা মেয়ের
সাথে প্রেম
করে তাহলে তাকে খারাপ
ছেলে বলে না কেন?
বাবাঃ (অনেকক্ষণ ভেবে) আচ্ছা মা, ধর
একটা তালা যদি অন্যের
৫টা চাবি দিয়া খুলে যায় তাহলে ঐ
তালা'কে কি বলে?
মেয়েঃ নষ্ট তালা বলবে।
বাবাঃ আচ্ছা...ভালো... . আর একটা মাত্র
চাবি দিয়া যদি অন্যের
৫টা তালা সহজেই খুলে যায়
তাহলে ঐ
চাবিকে কি বলে?
মেয়েঃ super চাবি বলে।
বাবাঃ তাহলে মেয়েরা হচ্ছে একটা তালা আর
ছেলেরা হচ্ছে চাবি।
গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করল...
মেয়েঃ আচ্ছা বাবা,
মেয়েরা যদি ৫টা ছেলের
সাথে প্রেম
করে তাহলে তাকে খারাপ মেয়ে বলে।
আর একটা ছেলে যদি ৫টা মেয়ের
সাথে প্রেম
করে তাহলে তাকে খারাপ
ছেলে বলে না কেন?
বাবাঃ (অনেকক্ষণ ভেবে) আচ্ছা মা, ধর
একটা তালা যদি অন্যের
৫টা চাবি দিয়া খুলে যায় তাহলে ঐ
তালা'কে কি বলে?
মেয়েঃ নষ্ট তালা বলবে।
বাবাঃ আচ্ছা...ভালো... . আর একটা মাত্র
চাবি দিয়া যদি অন্যের
৫টা তালা সহজেই খুলে যায়
তাহলে ঐ
চাবিকে কি বলে?
মেয়েঃ super চাবি বলে।
বাবাঃ তাহলে মেয়েরা হচ্ছে একটা তালা আর
ছেলেরা হচ্ছে চাবি।
Subscribe to:
Comments (Atom)




