Saturday, July 11, 2015

ওজন কমানোর জন্য আমরা কত ভাবেই না চেষ্টা করি। দেখা যায় পরিমিত সুষম খাবার গ্রহণ ও নিয়মিত ব্যায়াম করার পরও অনেকেরই ওজন সহজে কমতে চায় না। এই ডায়েট প্ল্যানটিকে গত কয়েক বছরের মাঝে সবচেয়ে কার্যকরী ডায়েট প্ল্যান হিসাবে ধরা হয়। অনেকের দ্বারা স্বীকৃত এবং অনেকেই এর মাধ্যমে ভালো ফল পেয়েছেন। যারাই এটা অনুসরণ করেছেন তারাই ওজন কমানোর কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করেছেন। তাই ব্যায়াম ছাড়া শুধু খাবার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই সবাই যেন প্রত্যাশিত ফলাফল পেতে পারেন এরকম একটি ডায়েট প্ল্যান জানাচ্ছি।
এই ডায়েট প্ল্যানটি ১৫ দিনের জন্য। অর্থাৎ সপ্তাহে ৫ দিন করে ৩ সপ্তাহ অনুসরণ করতে হবে। এই ১৫ দিনে সকালে একই নাস্তা খেতে হবে প্রতিদিন। সেটা হলো-
সকালের নাস্তা
ফল-১ টি (কমলা, নাসপাতি, পিচ, বাঙ্গি, তরমুজ বা যেকোনো ফল। তবে কলা আর আঙ্গুর ছাড়া)
টোষ্ট বিস্কিট/ব্রেড টোষ্ট- ১টি
চা/কফি- ১ কাপ (চিনি ছাড়া)
১ম দিন যা খাবেন
দুপুরে-
কমলা-১টি,
ডিম সেদ্ধ-১টি,
টক দই- ১কাপ
রাতে-
টমেটো- ২টি (কাঁচা বা সেদ্ধ)
ডিম সেদ্ধ- ২টি
টোষ্ট বিস্কিট/ব্রেড টোষ্ট- ২টি
শশা- ১টি
২য় দিন যা খাবেন
দুপুরে-
কমলা-১টি,
ডিম সেদ্ধ-১টি,
টক দই- ১কাপ
রাতে-
গরুর মাংস- ১৩৬ গ্রাম (কম মশলায় রান্না করা)
টমেটো- ১টি
কমলা- ১টি

Wednesday, July 8, 2015

 আম্মু দেখ ওই uncle টা তার ফোন
রেখে চলে যাচ্ছে।
-কই দেখি?
বলে ফোনটা হাতে নিলেন মিসেস ইশিতা।
ভাবছে লোক টাকে ডাক দিবে কিন্তু ডাকল না।
“যাক গে, উনার ফোন উনিই নিবেন। ”
কিছুক্ষন পর ভদ্র লোকের ফোনে একটা কল আসল।ফোন টা রিসিভ করলেন মিসেস ইশিতা।
– হ্যালো স্লামালাইকুম,
-হ্যালো ফোন টা আমার,
আমি শপিং মলে ফেলে রেখে এসেছি।
আপনি যেই হউন না আমার ফোন চাই না শুধু কিছু
ডাটা আমার চাই। প্লিজ হেল্প মি।
অপরপাশকে কথাই বলার সুযোগ দিলেন না সায়েম
সাহেব।
-ওকে ওকে আপনাকে আপনার ফোন দিব, আমি চোর
নই। আমি এখন ও ওই শপিং মলে ই আছি।
আপনি আসেন পাবেন।
-ওকে,জাস্ট অয়েট আ ফিউ মিনিটস।
কথাটা বলেই ফোন রাখলেন সায়েম সাহেব।
এদিকে ভদ্র মহিলা কথা শেষে ফোনটা লক
করতে গিয়েই চমকে উঠলেন মিসেস ইশিতা। কারন
স্ক্রীনের উপর যে ছবিটা ভাসছে সেটা ইশিতার
নিজেরই ছবি এবং সেটা আজ থেকে বার বছর
আগের ছবি। সাথে সাথেই ইশিতার ভেতরটা কেমন
যেন চমকে উঠলো। ফোন টা সায়েমের নয় তো?
সায়েম ইশিতার এক সময়ের খুব কাছের মানুষ
ছিল। কলেজ লাইফের পুরোটাই এক
সাথে কাটিয়েছিল দুজন। দুজনের শ্বাস প্রশ্বাস
গুলো ছিল একই সময়ের। রাত দিন ফোনে কথা বলত
দুজন। সৃষ্টি কর্তার কোন একশাসনের
কারণে তারা আজ যোজন যোজন দুরে।
কথা গুলো ভাবতে ভাবতেই ওই
ফোনে আবারো রিং হল।।
-আম্মু ওই যে আংকেল টা।
এই বলে দেখিয়ে দিল ইশিতার মেয়ে।
-এক্সকিউজ মি, আপনার ফোন
লোকটার মুখ দেখে ইশিতার মাথায় আকাশ
ভেংগে পড়ার অবস্থা। এতো সায়েম। একটু ও চেঞ্জ
হয় নি।
এ আমি স্বপ্ন দেখছি নাতো? সায়েম সাহেব
আনমনে ভাবলেন। কিন্তু মুখে কিছুই বললেন না।
ফর্মালিটি দেখিয়ে ফোনটা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন
-এক্সকিউজ মি,
-আমাকে বলছেন?
-জ্বী
-আপনার নাম টা বলবেন?
-কেন?
-এমনি
-সায়েম
-তুমি আমাকে চিনতে পারোনি?
-হুম পেরেছি বাট কি লাভ চিনে?
-সেটাই,
-আর কিছু বলার আছে??
-তোমার ফোনে ওইটা কার ছবি?
-জানিনা
-তাহলে কেন দিয়েছ?
-ভাল্লাগে তাই
-কি করছ এখন?
-জব করি
-বিয়ে করেছ?
-না
-কেন?
-আজ থেকে বার বছর
আগে কাউকে কথা দিয়েছিলাম।
-ও ও
-কিন্তু আমার তো বিয়ে হয়ে গেছে
-তোমার মেয়েটা অনেক সুন্দর।কি নাম রেখেছ?
-ইরা।
চমকে গেলেন সায়েম সাহেব। কারন নামটা তারই
দেয়া।। চোখের পানি আর আটকাতে পারলেন না।
রুদ্র মুখর দিনে তার চোখের
পানিটা ভাল্লাগছে না তবুও মন মানল না। ও
দিকে ইশিতাও কেদে দিল।। নিশ্চুপ দুজনেই।
দুজনেরই ইচ্ছে হচ্ছে বার বছর আগে ফিরে যেতে।
-মা চল, বাবা এসে গেছে।
ইরার কথা শুনেই দুজনের নিস্তব্ধতা কাটল।।
চলে যাচ্ছে ইশিতা। আবারো অনেক দিন পর
সায়েম সাহেব বুকের ভেতরর যন্ত্রণা হচ্ছে।
একটু একটু করে ইশিতা অদৃশ্য হয়ে গেল আর একটু একটু
করে সায়েম সাহেবের বুকের
যন্ত্রণা বাড়তে লাগল।
***
সকাল বেলা স্বামী অফিসে যাওয়ার পর পেপার
নিয়ে বেলকনীতে বসলেন ইশিতা। পেপারের
ভেতরের পাতায় লিখা ” অতিরিক্ত ধুমপান ও
মদ্যপানের ফলে যুবকের মৃত্যু ” ইনসেটে ছবি দেখল
সায়েম সাহেব। ইশিতা আর সইতে পারল না।
ফ্লাশ ব্যাক :
ইশিতাকে খুব ভালবাসতো সায়েম। এক দিন
না দেখে থাকতে পারতো না। ব্রেক আপএর পর
থেকেই সায়েম অন্ধকার জগতে পা বাড়ালো।
সে দিন শপিং মলে ইশিতা কে দেখার পর
সইতে না পেরে অসংখ্য
সিগারেট এবং ড্রিংক
করে হার্ট এর ব্যাথাটা বাড়িয়ে দিয়েছিল
এবং পরিনামে মৃত্যু।।
ইশিতার টিভি তে গান চলছে :
ভেংগে গেল আজ স্বপ্ন আমার
চারিদিকে নিরাশার অন্ধকার
কি নিয়ে বাঁচি আমি
ভালবাসা করে হাহাকার
অসমাপ্ত ভালবাসা, সমাপ্ত সায়েম।।



Tuesday, July 7, 2015

 আমি যখন তোমার নাম
মাটিতে লিখলাম ,,
বৃষ্টিতে ভিজে গেলো .....
আকাশে লিখলাম ,, আকাশ
মেঘে ঢেকে গেলো ..... কিন্তু যখনই
হৃদয়ে লিখলাম ,, ঠিক তখনই
তুমি আমায় ভুলে গেলে....


 কি অপরাধ ছিলো আমার?
খুব বেশি ভালোবেসে ছিলাম,এটাই
কি ছিলো অপরাধ?
কেনো আমার জীবন
টা নিয়ে খেলা করলে ও রকম?
পৃথিবীতে নাকি দুইটা জিনিস
পাওয়া খুব কষ্ট সাধ্য।
১:) মনের মানুষ।
২:) মানুষের মন।
সত্যি আজ দু চোখের জল
দিয়ে সেটা বিশ্বাস করতে হচ্ছে।

তুমি চলে যেতে পারবে
কিন্তু তোমার
সাথে জড়িয়ে থাকা,
স্মৃতিগুলো নিয়ে যেতে পারবে না...
হয়তো তুমি আমাকে ভুলে যেতে পারবে,
কিন্তু আমার
ভালোবাসাকে ভুলতে পারবে না...
প্রতিটি মুহূর্ত
তোমাকে স্মরন
করিয়ে দিবে,
নীরবে চোখের জল
ফেলতে হবে, আমার
এই নিঃস্বার্থ
ভালোবাসার জন্য.....আর কত ভালবাসলে
ভালবাসবে তুমি আমায়
তোমায় মনে পড়ে
 প্রতিক্ষণে পড়ে মনে
তোমার কথা,
তোমার জন্য
আমার এতো ব্যাকুলতা।
হারিয়ে যাই
ভাবনার সাগরে
তোমায় ভেবে।
মনের ঘরে
স্বপ্ন সাজাই
তোমায় নিয়ে।
কেনো থাকো
আমায় ছেঁড়ে
দূরে দূরে,
আমিতো পারিনা
এক মুহূর্ত
থাকতে তোমায় ভুলে।
তুমি হীনা
নিঃশ্ব লাগে নিজেকে।
শুন্যতা
আসে নেমে
এই হৃদয় জুড়ে।

একদিন হয়তো চলে যাবো
একদিন হয়তো চলে যাবো পূথিবীর শেষ সিমানায়, সে দিন ও দেখবে তুমি আছি তোমার কিনারাই, স্রিতি হয়তো বলবে কথা, বলব নাক আমি, পারলে দিয় মনে একটু জায়গা যেথাই থাকব আমি। বন্ধু বল আমায় মনে রাখবে কি তুমি?বন্ধু তোকে কাছে না পাওয়ার........