Friday, June 19, 2015

আমরা কোনো কিছু না ভেবে শুধু দেখেই কাউকে মোটা বা চিকন বলে থাকি। আসলে কিন্তু ব্যাপারটি মোটেই তা নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞান মতে বডি মাস ইনডেক্স বা বিএমআই নির্ণয় করে কাউকে রোগা বা মোটা বলা হয়ে থাকে। উচ্চতার সাপেক্ষে প্রতিটি মানুষের আছে একটি আদর্শ ওজন। ধারনা করা হয় যে ওজন যদি এই আদর্শ মাত্রায় থাকে, অর্থাৎ এর চাইতে বেশি বা কম না হয়ে থাকে, তাহলে মানুষটি সুস্থ দেহের অধিকারী। এবং রোগ বালাই হবার সম্ভাবনা কম।
আদর্শ ওজন নির্ণয়ের পদ্ধতিতে একজন ব্যক্তির ওজন কিলোগ্রামে মাপা হয় এবং উচ্চতা মিটারে মাপা হয়। এবার ওজনকে উচ্চতার বর্গফল দিয়ে ভাগ করা হয়। এই ভাগফলকে বলে বিএমআই। বিএমআই ১৮ থেকে ২৪-এর মধ্যে হলে স্বাভাবিক। ২৫ থেকে ৩০-এর মধ্যে হলে স্বাস্থ্যবান বা অল্প মোটা, ৩০ থেকে ৩৫-এর মধ্যে হলে বেশি মোটা। আর ৩৫-এর ওপরে হলে অত্যন্ত ও অসুস্থ পর্যায়ের মোটা বলা যেতে পারে।
অতিরিক্ত ওজন কিংবা অতি কম ওজন কারোই কাম্য নয়। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন বেঁটে কিন্তু মোটা, আবার অনেকে খুব লম্বা কিন্তু যেন তালপাতার সেপাই। এরকম অবস্থা মানে উচ্চতা অনুযায়ী তাঁদের ওজন ঠিক নেই। আপনার ওজন বেশি না কম, নাকি তা ঠিকই আছে তা বুঝতে হলে জেনে নিন উচ্চতা অনুযায়ী
আপনার ওজন কতো-
উচ্চতা পুরুষ(কেজি) নারী(কেজি)
►৪’৭” —— ৩৯-৪৯ —– ৩৬-৪৬
►৪’৮” —— ৪১-৫০ —– ৩৮-৪৮
►৪’৯” —— ৪২-৫২ —– ৩৯–৫০
►৪’১০” —— ৪৪-৫৪ —– ৪১–৫২
►৪’১১” —— ৪৫-৫৬ —– ৪২-৫৩
►৫ফিট —— ৪৭-৫৮ —– ৪৩-৫৫
►৫’১” —— ৪৮-৬০ —– ৪৫-৫৭
►৫’২” —— ৫০-৬২ —– ৪৬-৫৯
►৫’৩” —— ৫১-৬৪ —– ৪৮-৬১
►৫’৪” —— ৫৩-৬৬ —– ৪৯-৬৩
►৫’৫” —— ৫৫-৬৮ —– ৫১-৬৫
►৫’৬” —— ৫৬-৭০ —– ৫৩-৬৭
►৫’৭” —— ৫৮-৭২ —– ৫৪-৬৯
► ৫’৮” —— ৬০-৭৪ —– ৫৬-৭১
► ৫’৯” —— ৬২-৭৬ —– ৫৭-৭১
►৫’১০” —— ৬৪-৭৯ —– ৫৯-৭৫
►৫’১১” —— ৬৫-৮১ —– ৬১-৭৭
►৬ ফিট —— ৬৭-৮৩ —– ৬৩-৮০
►৬’১” —— ৬৯-৮৬ —– ৬৫-৮২
►৬’২” —— ৭১-৮৮ —– ৬৭-৮৪
শরীর অতিরিক্ত রুগ্ন হলে দেখতে খারাপ তো লাগেই, সাথে চেহারায় দ্রুত বলিরেখা পড়ে। অতি রুগ্ন মানুষ অপুষ্টির শিকার। ফলে পুষ্টি জনিত নানাবিধ রোগ, যেমন- অ্যানিমিয়া বা রক্ত শুন্যতা, শারীরিক দুর্বলতা, নানান রকম চর্মরোগ ইত্যাদি হওয়ার প্রবল সম্ভাবন থাকে। অপুষ্টির শিকার হলে চুল পড়ে যাওয়া, দাঁত নষ্ট হয়ে যাওয়া, হাড় খয়ে যাওয়া সহ নানা রকম রোগ হতে পারে।
আবার শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার ফলে মানুষ মোটা হয় বা ভুঁড়ি হয়। ফ্যাট সেল বা চর্বিকোষ আয়তনে বাড়ে তখন শরীরে চর্বি জমে। পেটে, নিতম্বে, কোমরে ফ্যাট সেল বেশি থাকে। অতিরিক্ত খাওয়ার জন্য দেহে চর্বি জমে, আবার যে পরিমাণ খাওয়া হচ্ছে বা দেহ যে পরিমাণ ক্যালরি পাচ্ছে সে পরিমাণ ক্ষয় বা ক্যালরি খরচ হচ্ছে না-এ কারণেও দেহে মেদ জমতে পারে। এগুলো শোনার বা জানার পর অনেকে হয়তো বলবেন, সঠিক পরিমাণে খাদ্য গ্রহণের পরও ওজন বেশি। তাদের অভিযোগ সঠিক। বংশগত কারণেও মানুষ মোটা হতে পারে।
মদ্যপান, অতিরিক্ত ঘুম, মানসিক চাপ, স্টেরয়েড এবং অন্য নানা ধরনের ওষুধ গ্রহণের ফলেও ওজন বাড়তে পারে। বাড়তি ওজন কিংবা ভুঁড়ি নিয়ে অনেক সমস্যা। বাড়তি ওজনের জন্য যেকোনো ধরনের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া রক্তনালিতে চর্বি জমে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। বাড়তি ওজন রক্তচাপেরও কারণ।ডায়াবেটিস টাইপ-২ দেখা দিতে পারে মেদ বৃদ্ধির জন্য। মেদবহুল ব্যক্তির জরায়ু, প্রস্টেট ও কোলন ক্যান্সারের সম্ভাবনা শতকরা ৫ ভাগ বেশি।
ওজন বৃদ্ধির সাথে সাথে হাঁটাচলা করতে সমস্যা হয়। হাঁটুর সন্ধিস্থল, কার্টিলেজ, লিগামেন্ট ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। আর্থ্রাইটিস, গেঁটে বাত এবং গাউট হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। অতিরিক্ত চর্বি থেকে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
সব মিলিয়ে বলা যায়, অতিরিক্ত কম ওজন বা অতিরিক্ত বেশি ওজন- দুটোই সুস্থতার বিপরীত। নিজের আদর্শ ওজন নির্ণয় করুন, এবং আপনার অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ওজনকে আদর্শ অবস্থানে আনবার জন্য চেষ্টা করুন। কেবল সুন্দর থাকা মানেই ভালো থাকা নয়, সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকাই সত্যিকারের ভালো থাকা।
সোর্স :    Socialbangla


আইসিটি এক্সপো ২০১৫ তে টেলিটক বিশেষ একটি সিম বিক্রি করছে। এই প্যাকেজটির নাম জোনাকি। সিমের মূল্য মাত্র ৮০ টাকা।
জোনাকি প্যাকেজে টেলিটক ‍টু টেলিটক আধা পয়সা প্রতি সেকেন্ড। অন্যদিকে টেলিটক টু অন্য অপারেটরে এক পয়সা প্রতি সেকেন্ড।
জোনাকি প্যাকেজের বিশেষ সুবিধা হলো এটি দিয়ে খুব সহজেই ঘরে বসে পল্লী বিদ্যুৎ এর বিল পরিশোধ করা যাবে।
এছাড়া এই প্যাকেজ থেকে টেলিটক ওয়ালেট অ্যাকাউন্ট চালু করা যাবে। এই ওয়ালেট অ্যাকাউন্ট দিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ এর বিল পরিশোধ করা যাবে।
প্যাকেজটিতে বিশেষ ডাটা প্যাকেজও রয়েছে। হ্রাসকৃতমূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে।
সিমটি পাওয়া যাবে মেলায় টেলিটকের স্টলে। সারা দেশে টেলিটকের কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সিমটি কেনা যাবে।
মেলায় টেলিটকের বর্ণমালা প্যাকেজটিও মাত্র ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
বিস্তারিত জানতে  : এখানেক্লিককরুন  

Wednesday, June 17, 2015

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে অনলাইন ও এসএমএসে আবেদন করার সময় তিন দিন বাড়ানো হয়েছে। আগামী ২১ জুন পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
এর আগে আবেদনের শেষ দিন ছিল ১৮ জুন।

Click here to Apply online
 

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সময় বাড়ানোর কথা জানায়।

এবার (২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ) একাদশে ভর্তির জন্য অনলাইন ও এসএমএসে আবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু শুরু থেকেই শিক্ষার্থীরা ভোগান্তি ও প্রতারণতার শিকার হচ্ছেন। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে সময় বাড়ানো হয়েছে বলে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড থেকে জানানো হয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে (উচ্চ মাধ্যমিক) শিক্ষার্থী ভর্তি কার্ক্রম শুরু হয় গত ৬ জুন আর শেষ দিন ছিল ১৮ জুন। ‘২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা-২০১৫’ অনুযায়ী ভর্তির জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৫ জুন। ক্লাশ শুরু হবে ১ জুলাই।

বিগত কয়েক বছরের মত এবারও এসএসসির ফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। বিলম্ব ফি ছাড়া ৩০ জুন পর্যন্ত ভর্তি হওয়া যাবে। আর বিলম্ব ফি দিয়ে ২৬ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি হতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

নীতিমালা অনুযায়ী, টেলিটক মোবাইল থেকে এসএমএস করে ১৫০ টাকা জমা দিয়ে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ১২০ টাকা দিয়ে, সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য পছন্দক্রমে রাখা যাবে।

অনলাইনে আবেদন করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা দেখছেন, তাদের রোল নম্বর ব্যবহার করে ইচ্ছামতো ৫টি কলেজের নাম দিয়ে কে বা কারা আবেদন করে ফেলেছেন। এছাড়া অনলাইন আবেদনের (স্মার্ট অ্যাডমিশন সিস্টেম) প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণেও ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা ও তাদের অভিভাবকরা। শিক্ষার্থী প্রতারণার সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকটি কলেজকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।