Saturday, February 18, 2017

ঢাবির এমআইএস ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. হেলাল উদ্দিন আহমেদ এবং কোডারস ট্রাস্টের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জন কায়ো ফিবিগ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাবির এমআইএস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন এবং কোডারস ট্রাস্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আতাউল গণি ওসমানী।
কোডারস ট্রাস্টের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জন কায়ো ফিবিগ বলেন, বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে অনেক সম্ভাবনা এবং মেধা রয়েছে, তাদের শুধু প্রয়োজন সঠিকভাবে পথ দেখানো, যাতে ভবিষ্যতে তারা নিজেদের দক্ষতা দিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।
ঢাবির এমআইএস ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে ফ্রিল্যান্সিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে। তাদের নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।
উল্লেখ্য, গত কয়েকবছর ধরে কোডারস ট্রাস্টের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম মূলত ঢাকা কেন্দ্রিক ছিল। যদিও তারা চট্টগ্রাম ও সিলেটে সফলভাবে দুইটি পাইলট প্রজেক্ট শেষ করেছে। ২০১৭ সালে কোডারস ট্রাস্টের লক্ষ্য ‘শিখবে সবাই’র মাধ্যমে সারাদেশে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়া এবং এ বছরের মধ্যেই দশ হাজার নতুন ফ্রিলান্সার তৈরি করা।

এ প্রসঙ্গে কোডারস ট্রাস্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আতাউল গণি ওসমানী বলেন, শুরু থেকেই বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আমাদের অনুরোধ করেছে তারা কীভাবে এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করবেন, সেই বিষয়টি বিবেচনায় এনে এখন থেকে পর্যায়ক্রমে কোডারস ট্রাস্টের সব কোর্স অনলাইনে লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে শিখতে পারবেন। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ক্লাসে আসার দরকার নেই, আমরা ক্লাসটাই তাদের কাছে নিয়ে যাচ্ছি- অনলাইন লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে।

প্রসঙ্গত, কোডারস ট্রাস্ট বাংলাদেশ গত তিন বছর ধরে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে এবং অনেক প্রশিক্ষণার্থী ইতোমধ্যে সফলতার সঙ্গে অনলাইনে কাজ করছেন। এ পর্যন্ত কোডারস ট্রাস্টে প্রশিক্ষণ নিয়ে ৫০০ এরও বেশি ফ্রিলান্সার বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন এবং বর্তমানে এক হাজারেরও বেশি প্রশিক্ষণার্থী কোডারস ট্রাস্ট ‘লার্ন অ্যান্ড আর্ন’ সেন্টারে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন। কোডারস ট্রাস্ট ডেনমার্কভিত্তিক কোম্পানি হলেও বাংলাদেশের সফলতার ওপর ভিত্তি করেই আরও ছয়টা দেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।

Wednesday, September 16, 2015

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সর্বোচ্চ বিচারিক সাজা হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার বিধান রয়েছে। তবে সবদেশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি একরকম নয়। সারাবিশ্বে এখন প্রধানত নয়টি উপায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এরমধ্যে রয়েছে দড়িতে ঝুলিয়ে ফাঁসি, লেথাল ইনজেকশন, ফায়ারিং স্কোয়াড, ফায়ারিং, শিরশ্ছেদ, বৈদ্যুতিক চেয়ার, গ্যাস চেম্বার,পাথর ছোড়া, উঁচু জায়গা থেকে ফেলে দেয়া।
ইনজেকশন:
অ্যানেস্থেশিয়ার জন্য সোডিয়াম পেন্টোনাল, সম্পূর্ণ অক্ষম করার জন্য প্যানকিউরোনিয়াম ব্রোমাইড আর হৃদযন্ত্র থামিয়ে দেয়ার জন্য পটাশিয়াম ক্লোরাইড নামের তিনটি রাসায়নিক উপাদান ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে ঢুকিয়ে অনেক দেশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়৷ যুক্তরাষ্ট্র,

Wednesday, August 5, 2015

চলতি মাসেই উৎপাদন শুরু হচ্ছে নাগরিকদের উন্নত মানের পরিচয়পত্র স্মার্টকার্ড।
ইসি জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে বিতরণ শুরু হয়ে আগামী বছরের জুনের মধ্যে সাড়ে ৯ কোটির বেশি নাগরিকের হাতে তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে কমিশন সভায় স্মার্ট কার্ড তৈরি ও বিতরণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
নির্বাচন কমিশনে বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ বলেন, “শিগগির নাগরিকদের স্মার্টকার্ড দেব আমরা। আরেকটি কমিশন সভায় বিতরণসূচি নির্ধারণ করা হবে।”
কাজের অগ্রগতির বিষয়ে তিনি জানান, স্মার্টকার্ড পার্সোনালাইজেশনের ১০টি মেশিন এসে গেছে। আগারগাঁওয়ে প্রকল্প কার্যালয়ে একটি ও বাকিগুলো অস্থায়ীভাবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভাণ্ডারে স্থাপন করা হবে।
তিনি বলেন, “আমরা অত্যন্ত আশাবাদী-মেশিন স্থাপন শেষে এ মাসের শেষদিকে স্মার্টকার্ড উৎপাদনে যেতে পারব। উৎপাদনে এলে বিতরণের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেব। তবে উৎপাদনের পরপরই বিতরণে যাব আমরা।”
স্মার্টকার্ডের বিষয়ে সার্বিক দিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে উপস্থাপনের পরদিনই ইসির কাছে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ তাদের কার্যক্রম তুলে ধরে।